| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বিএনপির সময়ে শেয়ারবাজার লুটের সুযোগ ছিল না, এবারও পাবে না: অর্থমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ৩০, ২০২৬ ইং | ১৮:২১:৩৫:অপরাহ্ন  |  ২৪৩ বার পঠিত
বিএনপির সময়ে শেয়ারবাজার লুটের সুযোগ ছিল না, এবারও পাবে না: অর্থমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের পুঁজিবাজারে কোনো ধরনের লুটপাটের সুযোগ দেওয়া হবে না এমন আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বিএনপি সরকারের কোনো সময়ে শেয়ারবাজারে লুটপাটের সুযোগ ছিল না, এবারও কেউ সেই সুযোগ পাবে না।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন সংশোধনের জন্য প্রস্তাবিত বিলের ওপর বিশেষ কমিটির সুপারিশ বিবেচনার প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

সংসদে আলোচনার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিলটির ওপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছে পুঁজিবাজার। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশে ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে শেয়ারবাজার ভয়াবহ ধসের মুখে পড়ে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে শেয়ারবাজার থেকে এক লাখ কোটি টাকার বেশি লুটপাট হয়েছে, যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কষ্টার্জিত অর্থ। তার মতে, একটি বিশেষ গোষ্ঠী ও কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এই লুটপাটের সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

রুমিন ফারহানা আশা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান অর্থমন্ত্রী যেন জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনেন এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থায় দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনেন।

জবাবে অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যের সঙ্গে আংশিক একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, বিলটি ইতোমধ্যে বিশেষ কমিটির মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সংসদে এসেছে। তাই পুনরায় যাচাইয়ের প্রয়োজন নেই বলে তিনি মনে করেন। পরে বিলটি বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

এদিকে সংসদে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নর নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক নিয়োগগুলো জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে নয় এবং যোগ্য ব্যক্তিদের যথাযথ স্থানে বসানো হচ্ছে না।

এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গভর্নরের পারফরম্যান্স আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন ভবিষ্যতে আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ দেওয়া হবে না।

পরে বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের গভর্নর নিয়োগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুললে অর্থমন্ত্রী বলেন, “দলকে সমর্থন করা মানেই দলের লোক হওয়া নয়।”

অবশেষে আলোচনার পর বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সংশোধন বিল-২০২৬-সহ দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়, যদিও বিরোধী দল এ বিষয়ে আপত্তি জানায়।

সব মিলিয়ে সংসদের এ অধিবেশন পুঁজিবাজার সংস্কার, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪