| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তরমুজ খেয়েই মুম্বাইয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু?

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০২, ২০২৬ ইং | ১৪:৩২:১৪:অপরাহ্ন  |  ১৩০৩ বার পঠিত
তরমুজ খেয়েই মুম্বাইয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু?

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: গত সপ্তাহে মুম্বাইয়ে একটি পরিবারের চারজনের মৃত্যু হয়। সে সময় জানা যায় তরমুজ খাওয়ার কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। এরপরেই জনপ্রিয় গ্রীষ্মকালীন এই ফল কেনা নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। এমনকি কিছু এলাকায় এর দাম কমে যাওয়ার কথাও খবরে উঠে আসে। খবর এনডিটিভির। 

তবে মনে হচ্ছে যে এর জন্য দায়ী তরমুজের মতো নিরীহ কোনো ফল নয় বরং একটি মারাত্মক পদার্থ। ওই পদার্থের কারণেই ভুক্তভোগীদের শরীরের কিছু অঙ্গ সবুজ হয়ে গিয়েছিল, যা সম্ভাব্য বিষক্রিয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

৪৫ বছর বয়সী স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ ডোকাদিয়া একটি মোবাইল অ্যাকসেসরিজের দোকান চালাতেন। তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং তাদের সন্তান জয়নাব (১৩) ও আয়েশা (১৬) শনিবার পাঁচজন আত্মীয়ের সঙ্গে নৈশভোজের আয়োজন করেন এবং সেখানে পোলাও মাংসের আয়োজন করা হয়। আত্মীয়রা চলে যাওয়ার পর পরিবারটি রাত প্রায় ১টার দিকে তরমুজ খায় এবং ভোর ৫টার মধ্যে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। সকলেরই একই ধরনের উপসর্গ ছিল- বমি এবং ডায়রিয়া। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের মৃত্যু হয়।

ফরেনসিক পরীক্ষায় বিষক্রিয়ার ইঙ্গিত

এনডিটিভিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক ফরেনসিক পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, ভুক্তভোগীদের মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড এবং অন্ত্রসহ কিছু অঙ্গ সবুজ হয়ে গিয়েছিল

ঘটনাটি খতিয়ে দেখছেন এমন চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, উপসর্গ এবং অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার ফলাফল সাধারণ খাদ্য বিষক্রিয়ার ঘটনার সঙ্গে মেলে না।

আব্দুল্লাহ ডোকাদিয়ার শরীরে মরফিন শনাক্ত হয়েছে। মরফিন একটি শক্তিশালী ব্যথানাশক, যা সাধারণত নিয়ন্ত্রিত চিকিৎসা পরিবেশে প্রয়োগ করা হয়। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন যে এই ঘটনাটি পূর্ববর্তী কোনো চিকিৎসা, দুর্ঘটনাবশত সংস্পর্শ, নাকি আরও সন্দেহজনক কিছুর দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না।

রাজ্যের খাদ্য এবং ওষধ প্রশাসন জানিয়েছে যে, এখন পর্যন্ত এই মৃত্যুগুলোর সঙ্গে তরমুজের কোনো সরাসরি যোগসূত্র তারা খুঁজে পাননি এবং তদন্তের পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা যাবে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, চূড়ান্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।

পুলিশের তদন্ত চলছে

গত সপ্তাহে একটি আকস্মিক মৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ পরিবারের সেইসব অতিথিদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছে, যারা ওই পরিবারের সঙ্গে খাবার খেয়েছেন এবং এখনো সুস্থ আছেন।

পরিবারটি মানসিক চাপে ছিল কি না, পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। রাজ্য এফডিএ-ও তদন্ত করে দেখছে যে তারা যে তরমুজটি খেয়েছিলেন তাতে কোনো বাহ্যিক বিষাক্ত পদার্থ বা ভেজাল ছিল কি না।

মৃতদেহগুলোর অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ রাসায়নিক বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪