| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

এসএসসি পরীক্ষায় নিজ মেয়েকে সহযোগিতা: প্রধান শিক্ষকসহ দুইজন কারাগারে

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৯, ২০২৬ ইং | ১৮:৪৩:০৯:অপরাহ্ন  |  ১৪৪৯ বার পঠিত
এসএসসি পরীক্ষায় নিজ মেয়েকে সহযোগিতা: প্রধান শিক্ষকসহ দুইজন কারাগারে

বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিজ মেয়েকে অনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও এক কর্মচারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুন।

​শনিবার (৯ মে) সকালে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শুক্রবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাদের আটক করা হয় এবং রাতেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

​তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। সে বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রের ৩০১ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিল।

​অভিযোগ উঠেছে, গত ২৮ এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ক্ষমতার অপব্যবহার করে গোপনে তার মেয়ের উত্তরপত্রটি সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুনের সহায়তায় উত্তরপত্রের ভুলগুলো সংশোধন করে পুনরায় তা জমা দেন।

​পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেন। প্রাথমিক তদন্তে জালিয়াতির প্রমাণ মেলায় তাদের দুইজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার একেএম নুরুজ্জামান জানান, তদন্তে অনৈতিক সহযোগিতার সত্যতা পাওয়ায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে আমি বাদী হয়ে মামলা করেছি। পরীক্ষা কেন্দ্রের পবিত্রতা রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না।"

​শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, শুক্রবার রাতেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

​এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের মতো একটি সংবেদনশীল জায়গায় খোদ প্রধান শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ডে শিক্ষার মান ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রিপোর্টার্স২৪/মিতু  

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪