স্টাফ রিপোর্টার: ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ শিরোনামে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবারের বাজেটে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি।
প্রস্তাবিত বাজেট দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৩.৭৩ শতাংশের সমান। বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ছিল ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে মন্ত্রিসভা প্রস্তাবটি অনুমোদন দেয়।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ সংকট মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে স্থিতিশীলতার পথে ফিরিয়ে আনা এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং ন্যায্যতাকে কেন্দ্র করেই সামষ্টিক অর্থনৈতিক কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে জনমিতিক ও দীর্ঘজীবিতা লভ্যাংশ কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা, যা বিদায়ী বাজেটের তুলনায় ৪৭ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ধরা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা।
এবার বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ মোট ব্যয়ের ২৭.২৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার এবং পরিচালন ব্যয় ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি