| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, ভারত সীমান্তে পরিকল্পনা বিবেচনায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১৭, ২০২৬ ইং | ২২:০৪:০৩:অপরাহ্ন  |  ৫০৮৩ বার পঠিত
মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, ভারত সীমান্তে পরিকল্পনা বিবেচনায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার এবং সীমান্ত অপরাধ দমনে মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মিয়ানমার সীমান্তে বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভারত সীমান্তের সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে একই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে এসব প্রকল্পের ব্যয়, সময়সীমা কিংবা ভারত সীমান্তের নির্দিষ্ট এলাকার নাম তিনি উল্লেখ করেননি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের অতিসংবেদনশীল এলাকাগুলোতে স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। দুর্গম অঞ্চলে ড্রোন, থার্মাল ইমেজার, নাইট ভিশন ডিভাইস ও সিসিটিভির মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সীমান্ত অপরাধ দমনে নতুন বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) ও টহল পর্যবেক্ষণ ঘাঁটি (টিওবি) নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে বিওপিগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কমেছে এবং টহলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সীমান্ত হত্যা ও চোরাচালান রোধে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোকে ‘হাই-রিস্ক জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি জানান, বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের প্রতিটি বৈঠকেই বাংলাদেশ সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তুলে ধরেছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিএসএফের মাধ্যমে পুশইন হওয়া হাজার হাজার মানুষকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। গত এক বছরে বিজিবি প্রায় ১ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে এবং মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে দেশের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ৭ গুণ বন্দি রয়েছে। আবাসন সংকট মোকাবিলায় নতুন কারাগার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে কারা বিভাগের শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অনলাইন জুয়া ও বেটিং সাইট নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান ১৮৬৭ সালের আইন বাতিল করে নতুন ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের মাদক, অবৈধ অস্ত্র কিংবা গোলাবারুদ প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সীমান্ত অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সরকার বদ্ধপরিকর।


রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪