| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মেলোনি আমার প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত, আইনি নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন: ট্রাম্প

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ০৬, ২০২৬ ইং | ১৩:৩৯:০৭:অপরাহ্ন  |  ১৫৬৯৮ বার পঠিত
মেলোনি আমার প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত, আইনি নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন: ট্রাম্প

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে চলমান ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সম্পাদিত (এডিট করা) ছবি পোস্ট করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে দুই নেতার সম্ভাব্য মুখোমুখি বৈঠকের আগে ট্রাম্প দাবি করেন, মেলোনি তার প্রতি ‘অতিরিক্ত আসক্ত’। এমনকি নিজের সুরক্ষার জন্য ইতালির প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি ‘রেস্ট্রেইনিং অর্ডার’ (আইনি নিষেধাজ্ঞা) প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ৪৯ বছর বয়সী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে একটি এডিট করা ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে দেখা যায়, মেলোনি ট্রাম্পের দিকে তাকিয়ে হাসছেন। ছবির ক্যাপশনে ট্রাম্প লেখেন, ‘রেস্ট্রেইনিং অর্ডার প্রয়োজন।’

একই সময়ে ট্রাম্প সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাকে নিয়েও একটি ব্যঙ্গাত্মক সম্পাদিত ছবি পোস্ট করেন, যেখানে তাদের বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ান-এর গায়ে গ্রাফিতি আঁকা ছিল।

তুরস্কে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসন্ন ন্যাটো সম্মেলনে জোটের ৩২ সদস্য দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে ট্রাম্প ও মেলোনিরও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ঠিক আগে ট্রাম্পের এই পোস্ট দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

দুই ডানপন্থী নেতার মধ্যে উত্তেজনার সূত্রপাত হয় গত সপ্তাহে। তখন ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, জি-৭ সম্মেলনে মেলোনি তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য বারবার অনুরোধ করেছিলেন। ট্রাম্পের ভাষায়, ইতালির প্রধানমন্ত্রী প্রায় ‘অনুনয়-বিনয়’ করেছিলেন।

ট্রাম্পের এ মন্তব্যের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় ইতালি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি পূর্বনির্ধারিত ওয়াশিংটন সফর বাতিল করেন।

অন্যদিকে, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ট্রাম্পের অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মনগড়া’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেন। ইতালির সংবাদ সংস্থা আদনক্রোনোস-এর বরাত দিয়ে স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল রেতে ফোর-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইতালি এবং আমি কখনোই কারও কাছে ভিক্ষা বা অনুনয় করি না।

মেলোনি আরও বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী নন। অতীতে যেমন কারও সামনে মাথা নত করেননি, ভবিষ্যতেও করবেন না। তার মতে, পশ্চিমা বিশ্বের শক্তি ঐক্যের মধ্যেই নিহিত এবং ইতালি সেই ঐক্যের অংশ হিসেবেই কাজ করে যাচ্ছে। তবে টেকসই সম্পর্কের ভিত্তি হলো স্পষ্টবাদিতা, আর তিনি সবসময়ই স্পষ্টভাষী।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপে সরাসরি সহযোগিতা করতে ইতালির অনীহার পর থেকেই ট্রাম্প ও মেলোনির সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। পরে ইউরোপের জ্বালানি ও অভিবাসন নীতি নিয়ে ট্রাম্পের ধারাবাহিক সমালোচনা এবং এসব সংকট সমাধান না হলে ইউরোপের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে এমন মন্তব্যে দুই নেতার দূরত্ব আরও বেড়ে যায়।


সূত্র: এনডিটিভি


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪