ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের ক্ষত সামলে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনর্গঠনে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান। দেশটির এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আগামী কিছুদিনের মধ্যে চীনের তৈরি ম্যান-প্যাডেবল (কাঁধে বহনযোগ্য) আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম চালান পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রায় ৪০০টি ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্ত করতে চায় তেহরান।
ইরান ও চীনের মধ্যকার এই স্পর্শকাতর চুক্তির বিষয়ে ওয়াকিবহাল তিনটি ভিন্ন সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ধারণা করা হচ্ছে, আনুমানিক ৬ থেকে ৭ কোটি মার্কিন ডলারের এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতের পর নিজেদের স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারে ইরানের অন্যতম বড় পদক্ষেপ।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই যুদ্ধে ইরানের সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সুরক্ষা ব্যবস্থার নানা দুর্বলতা ফুটে ওঠে, যা কাটিয়ে উঠতেই তেহরানের এই উদ্যোগ।
বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই চুক্তির অধীন চীন থেকে কিউডব্লিউ-১২ ও এফএন-১৬ মডেলের আনুমানিক ৩০০ থেকে ৪০০টি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (ম্যানপ্যাডস) সংগ্রহ করা হতে পারে। চুক্তিটিতে সরাসরি মধ্যস্থতা করছে হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ঝোংকিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট’, যা মূলত ইরান ও চীনা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংযোগ সেতু হিসেবে কাজ করছে।
এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি। আর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। চীন সবসময় শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সংঘাতের অবসান ঘটাতে ভূমিকা রেখে এসেছে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব