| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১৯, ২০২৬ ইং | ১২:২৩:৩৯:অপরাহ্ন  |  ৩৮১৫ বার পঠিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কর্মকর্তাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ছবির ক্যাপশন: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) শীর্ষ দুই কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তরা হলেন, বৈশ্বিক এই আদালতের প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে এবং জ্যেষ্ঠ ট্রায়াল আইনজীবী আবদুলায়ে সেয়ে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ ঘোষণা দিয়েছেন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের আইসিসিকে ‘ভেঙে দেওয়ার’ প্রচেষ্টার সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো। যুদ্ধাপরাধসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তের এখতিয়ার থাকা আদালটির সদস্যরাষ্ট্রের সংখ্যা ১২০টির বেশি।

রুবিও অভিযোগ করেন, আকানে ও সেয়ে এমন কর্মকর্তাদের বিচারের আইসিসির প্রচেষ্টায় যুক্ত ছিলেন, যাদের সরকারের পক্ষ থেকে আদালতকে বিচারিক এখতিয়ার দেওয়া হয়নি। তিনি আইসিসিকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত ও মারাত্মকভাবে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত’ একটি আন্তর্জাতিক আদালত হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের ওপর আদালতের ‘হস্তক্ষেপ’ মেনে নেবে না।

তবে আইসিসি যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের সমালোচনা করে জানিয়েছে, তারা আদালতের কর্মীদের পাশে রয়েছে। আদালতের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ আইনের শাসনকে দুর্বল করে।

ট্রাম্প প্রশাসন এর আগেও আইসিসির অন্তত ১১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এর মধ্যে ৯ জন বিচারক এবং প্রধান কৌঁসুলিও রয়েছেন। এসব নিষেধাজ্ঞার আওতায় সম্পদ জব্দ, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং মার্কিন কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে বিভিন্ন সেবা পাওয়ার ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে।

আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক সদস্যদের বিরুদ্ধে আইসিসির তদন্ত এবং গাজায় কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জেরেই আগের নিষেধাজ্ঞাগুলো দেওয়া হয়েছিল।

নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং আইসিসিকে ইহুদিবিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত বলে অভিযোগ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দুই দেশই আইসিসির সদস্য নয়। তবে ফিলিস্তিন ২০১৫ সালে আইসিসিতে যোগ দেওয়ায় ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সংঘটিত কথিত অপরাধ নিয়ে তদন্তের পথ আদালটির জন্য উন্মুক্ত হয়।

আইসিসির সঙ্গে ট্রাম্পের বিরোধ অবশ্য নতুন নয়। তার প্রথম মেয়াদেও তিনি আদালতটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন এবং বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে আইসিসির ‘কোনো এখতিয়ার, বৈধতা বা কর্তৃত্ব’ নেই।

সূত্র: বিবিসি

রিপোর্টার্স২৪/এম এইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪