ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: জ্বালানি তেল ও মার্কিন ডলারের মূল্য বাড়ার পর আরেকটি বড় শঙ্কার মুখে আছে ইউরোপ। ইরানে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের প্রভাবে গ্যাসের দাম ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, এতে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদে টান পড়তে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ইউরোপের বেঞ্চমার্ক ডাচ টিটিএফ গ্যাসের দাম ৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টায় ৭৯ দশমিক ২১ ইউরোতে দাঁড়ায়। দিনের মধ্যে দাম একপর্যায়ে ৮০ দশমিক ৯৯ ইউরো পর্যন্ত উঠে যায়।
সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, একই সঙ্গে শীতের আগে ইউরোপের গ্যাস মজুতও তুলনামূলক কম থাকায় সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাই বাজারে বড় চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে ইউরোপ শীত মৌসুমের আগে গ্যাসের মজুত পূরণ করার সময় এই মূল্যবৃদ্ধি নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। ইউরোপীয় গ্যাসের মজুত বর্তমানে পাঁচ বছরের গড়ের তুলনায়ও কম।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের প্রভাব পড়েছে তেলের বাজারেও। বুধবার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১০১ ডলারের ওপরে উঠে যায়। বৃহস্পতিবারও দাম ১০১ ডলারের ওপরে ছিল। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং সামুদ্রিক হামলার আশঙ্কায় বাজারে সরবরাহ সংকটের উদ্বেগ বাড়ছে।
ফলে গ্যাস ও তেলের দাম দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকলে ইউরোপসহ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খরচ ও মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ তৈরি হতে পারে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম