কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে নৌকা ভ্রমণে এসে হার্ডিং ব্রিজের পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাকিবুজ্জামান রকি নিখোঁজ হয়েছেন।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায় ১২৩ জন যাত্রী ছিল ঐ নৌকায়।পিলারে ধাক্কা লাগার সাথে সাথে তিন জন যাত্রী নদীতে ছিটকে পড়ে যায়। পরে দুইজনকে উদ্ধার করা হলেও এখন পর্যন্ত রকি নিখোঁজ ছিলেন।
নৌকা ভ্রমণে আসা যাত্রীদের কাছ থেকে জানা গেছে, ঝিনাইদহের শৈলকুপা কাতলা গাড়ি ঘাট থেকে ব্যবসায়িরা মিলে ১২৩ জন ভ্রমণকারী নিয়ে তারা ভেড়ামারা উপজেলার সোলাইমান শাহ মাজারে বেড়াতে আসেন।মাজার বেড়ানো শেষে রাত ১০ টার দিকে তারা হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছে পৌঁছালে স্রোতের প্রচণ্ড ধাক্কায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজের চার নম্বর পিলারের সঙ্গে পেছনের অংশের ধাক্কা লাগে। এসময় রকি, লিটন ও ওহাব নদীতে পড়ে যান। লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রকি নিখোঁজ রয়েছেন। এদিকে ঘটনাস্থলে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস, ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে।
ভেড়ামারা থানার ওসি মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, রকিকে উদ্ধারের জন্য নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ বেশ কিছু ইউনিট কাজ করছে। বিষয়টি আমরা নজর রাখছি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিরুল আরাফাত বলেন, এটি শৈলকুপার কবিরপুর এলাকার একটি ব্যবসায়িক দলের পিকনিকের নৌকা। তারা ভেড়ামারার সোলেমান শাহ’র মাজারে এসেছিলেন।
এরই মধ্যে নিখোঁজ দুজন লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে রকিকে এখনো উদ্ধার করা যায়নি। রাতের কারনে উদ্ধার কাজ কঠিন হচ্ছে। রকিকে উদ্ধারের জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বিভিন্ন ইউনিট। আমরা প্রশাসনের সব ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছি।
কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক ওয়াদুদ হোসেন বলেন, ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোলিং অফিসার ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। পদ্মা নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় রাতেই নিখোঁজদের উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। নৌকাটিতে প্রায় ১২৩ বা তার চেয়ে কয়েকজন বেশি যাত্রী ছিলেন। রাতে উদ্ধার অভিযান সম্ভব না হলে খুলনা থেকে বিভাগীয় ডুবুরি দল এনে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম