| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুলের নকশায় আলোকসজ্জিত গোলচত্বর

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২০, ২০২৬ ইং | ১৭:৪১:২৩:অপরাহ্ন  |  ৯৯১ বার পঠিত
চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুলের নকশায় আলোকসজ্জিত গোলচত্বর

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণের অংশ হিসেবে নন্দনকানন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুলের নকশায় নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জিত গোলচত্বর। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ স্থাপনার মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপনের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ নান্দনিক স্থাপনা নগরীর সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দায়ক-দায়িকা, একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথের এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন। অবশেষে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হওয়ায় মেয়রের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিহার সংশ্লিষ্টরা।

পদ্মফুলের নান্দনিক নকশা ও বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত গোলচত্বরটি নগরীর দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা হিসেবে নতুন পরিচিতি পেয়েছে। বৌদ্ধ দর্শনে পদ্মফুল পবিত্রতা, প্রজ্ঞা ও আধ্যাত্মিক বিকাশের প্রতীক। ফলে এ স্থাপনা নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক সহাবস্থানের জন্য পরিচিত চট্টগ্রাম নগরীতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন নগর উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের সামনে পদ্মফুলের আদলে নির্মিত গোলচত্বরটি সেই সম্প্রীতি ও শ্রদ্ধাবোধেরই একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পদ্মফুলের মনোমুগ্ধকর নকশা, বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক স্থাপত্যে সজ্জিত এই গোলচত্বর নগরীর সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৌদ্ধ দর্শনের মৈত্রী, করুণা, অহিংসা ও শান্তির চিরন্তন আদর্শের সঙ্গে পদ্মফুলের প্রতীকী সৌন্দর্য এখানে এক অনন্য আবহ সৃষ্টি করেছে।

এদিকে, সোমবার রাত ৯টা ৩৮ মিনিটে চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার গোলচত্বরে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন 

সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে ড. জিনবোধি মহাথের বলেন, এই সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক সুন্দর মুহূর্ত হয়ে থাকবে। এমন আন্তরিক যোগাযোগ সমাজে শান্তি, মানবতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, বুদ্ধের অহিংসা ও মৈত্রীময় শান্তির বাণী সবার হৃদয়ে জাগ্রত হোক। সকলের মঙ্গল হোক, জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক।

নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতায় চসিকের এ উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও নান্দনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ। একই সঙ্গে নগরীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জনপরিসরে তুলে ধরা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করতেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রাম সৌন্দর্য, শান্তি ও উন্নয়নের পথে আরও এগিয়ে যাবে এমন প্রত্যাশা নগরবাসীর।

রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪