| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চাঁদার দাবিতে হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিসের গুদামে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুর

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২১, ২০২৬ ইং | ০৯:৫০:৪০:পূর্বাহ্ন  |  ১১৪ বার পঠিত
চাঁদার দাবিতে হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিসের গুদামে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুর

সিনিয়র রিপোর্টার: রাজধানীর হাজারীবাগের বারইখালী এলাকায় এজেআর পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের মূল ওয়ার হাউজে  হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুদামের আসবাবপত্র ও মালামাল ভাঙচুরের পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা ও ল্যাপটপ লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিকদার মেডিকেল কলেজের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

এজেআর ওয়ার হাউজের সিকিউরিটি ইনচার্জ মো. রুহুল আমিন জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মুখে মাস্ক ও মাথায় হেলমেট পরা একদল দুর্বৃত্ত হঠাৎ কুরিয়ার সার্ভিসের গুদামে প্রবেশ করে। এরপর তারা ভবনের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় অফিসে থাকা ল্যাপটপ ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে নিয়ে যায় তারা।

হামলাকারীরা পুরো ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি সিসকো কোর রাউটার ১ টি, এনভিআর ৬৪ চ্যানেল (ডাহুয়া-০৩ টি, এনভিআর ৩২চ্যানেল ডাহুয়া ২ টি,এনভিআর ১৬ চ্যানেল ডাহুয়া ২টি, এনভিআর ৮ চ্যানেল ডাহুয়া-০২টি, হার্ডডিস্ক ১০টিবি৩৮টি, সার্ভার রেক- ১টি, ক্যামরা ২ মেগাপিক্সেল-৪০টি, সিপিইউ ৮ টি, মনিটর ৮ টি, ল্যাপটপ ১টি, ও নগদ টাকা ২০ লাখ ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় 'এ,জে, আর পার্সেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিস লিঃ এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান মঙ্গলবার  সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মুখে মাস্ক এবং মাথায় হেলমেট পরিহিত ৭০/৮০ জন এর একদল দুর্বৃত্ত হঠাৎ বারইখালী এলাকায় সিকদার মেডিকেল কলেজের পাশে অবস্থিত এ,জে, আর পার্সেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিস লিঃ এর মূল ওয়ারহাউজে প্রবেশ করে। যেখানে ১৬৫ টি শাখা থেকে মালামাল আসে এবং বিভিন্ন শাখায় যায়।

হামলা ও ভাংচুরের পর বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে এজেআর কুরিয়ার সার্ভিসের উধ্বতন কর্মকতাদের হুমকি ধমকির পাশাপাশি চাঁদা দাবি ইমন গ্রুপ। ভুক্তভোগীরা জানান, এর আগেও একাধিকবার কর্মকর্তার ডেকে নিয়ে চাঁদা দাবি ইমন গ্রুপ।

হাজারীবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, হামলাকারীরা সুপরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা কুরিয়ারের ভেতরে হামলার পূর্বে আশপাশের এলাকার অন্যান্য সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোও অকার্যকর করে দিয়েছিল, যাতে তাদের সহজে শনাক্ত করা না যায়। ঘটনার খবর পেয়ে হাজারীবাগ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ আলামত সংগ্রহসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে।

এই ঘটনার পর থেকে বারইখালী ও সিকদার মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরণের আতঙ্ক বিরাজ করছে।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪