স্টাফ রিপোর্টার: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় কোনো আইনি ব্যবস্থা বা মামলা নেওয়া হলে তাতে যেন নিজের নামই প্রধান আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, এমনটাই বলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে রুমিন ফারহানার রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এক লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ অবস্থানের কথা জানানো হয়।
সম্প্রতি সরাইল থানায় ওসির সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার জেরে পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার খবর প্রকাশ পাওয়ার পর এই লিখিত বক্তব্য সামনে এলো।
লিখিত বক্তব্যে রুমিন ফারহানা জানান, সরাইল থানার ওসির বিরুদ্ধে গত ২৩ অক্টোবর জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের প্রতি সম্মান রেখে তিনি অপেক্ষা করছেন, এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওসির বিরুদ্ধে কী ধরনের বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে সরাইল থানা ভবনে ওসির সঙ্গে অনিয়ম-দুর্নীতি এবং দুর্গাপূজায় মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় পুলিশি নিরাপত্তা না পাওয়ার বিষয় নিয়ে বাদানুবাদে জড়ান রুমিন ফারহানা।
এ ছাড়া রুমিন ফারহানার সঙ্গে আসা এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ওসি তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। ওসি ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং ওই ব্যক্তিকে রুমিন ফারহানা শিখিয়ে থানায় এনেছেন বলে উল্লেখ করেন।
এ নিয়ে বাদানুবাদের একপর্যায়ে রুমিন ফারহানা ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে বলেন, 'আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন। আপনার হিস্ট্রি তো আমি জানি স্যার। যাই হোক, সেটা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।'
রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ