ভারতের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কাশ্মির, পাঞ্জাব এবং গুজরাটসহ অন্তত ১৫টি শহরে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। বুধবার (৭ মে) দিনগত রাত ও বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালের দিকে এই হামলা চালায় পাকিস্তান। তবে এতে কোনো হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা এখনো জানায়নি নয়াদিল্লি।
ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে চালানো এক অভিযানে তারা পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি স্থানে ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি সামাজিক মাধ্যমে দুর্ঘটনার খবর শেয়ার করে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, যারা দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন, সৃষ্টিকর্তা তাদের আত্মাকে শান্তি দিন এবং শোকাহত পরিবারগুলোকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দিন। মুখ্যমন্ত্রী ধামি জানান, তিনি প্রশাসনকে আহতদের সর্বাত্মক সহায়তা দিতে এবং দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি এই বিষয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি এবং পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
২০১৬ সালে তিনি ১৮টি দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত সামরিক মহড়া ‘এক্সারসাইজ ফোর্স ১৮’-এ ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং ৪০ সদস্যের দলকে নেতৃত্ব দেন
পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধিতে আগ্রহী নয়। ভারত যদি আর উসকানি না দেয়, তবে পাকিস্তানও কোনো ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ প্রতিক্রিয়ায় যাবে না
বুধবার মহেন্দ্র সিংহ ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলছিলো কেকেআর। ম্যাচ চলাকালীন সিএবির ইমেল আইডিতে হুমকি মেল আসে। কোনও অজানা মেল আইডি থেকে এই হুমকি আসে। কোনও ঝুঁকি নেওয়া হয়নি। পুলিশ এবং সিএবি সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা বাড়িয়ে দিয়েছে।