নেপালে জেন-জিদের বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে। এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) নেপাল পুলিশের মুখপাত্র ডিআইজি বিনোদ ঘিমিরে জানান, নিহতদের মধ্যে ২১ জন বিক্ষোভকারী, তিনজন পুলিশ কর্মী, নয়জন বন্দি, ১৮ জন অন্যান্য ও একজন ভারতীয় নারী রয়েছে।
শুক্রবার নেপালে কয়েকদিনের সহিংস দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভের পর, যা নেপালি যুবকদের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছিল, এক অস্থির শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
পশ্চিম মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে ১৮ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন। রাখাইন (আরাকান) রাজ্যের আরাকান সেনাবাহিনী-নিয়ন্ত্রিত কিয়াউক
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও আল-জাওফ প্রদেশে অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৩১ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জেন-জিদের আন্দোলনে কেপি শর্মা অলির সরকারের পতনের পর নেপালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে আসতে পারেন দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। বিক্ষোভকারীদের পছন্দের প্রার্থী কার্কি ভারতের উত্তরপ্রদেশের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (বিএইচইউ) থেকে পড়াশোনা করেছেন। তিনি নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম এবং একমাত্র নারী প্রধান বিচারপতি ছিলেন
গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক আন্দোলন হয়েছে নেপালে। জেন-জির নেতৃত্বাধীন এ আন্দোলনের মুখে গতকাল (৯ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
কাঠমান্ডুর রাস্তায় টহল দিচ্ছে নেপালের সেনাবাহিনী, কারণ গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অস্থিরতায় হিমালয়ের এই দেশটি টালমাটাল। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ মঙ্গলবার সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগে রূপ নেয়।
নেপালে চলমান সংকটের সমাধান খুঁজে বের করতে বিক্ষোভকারীদের আলোচনার টেবিলে বসার আহবান জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগডেল। পাশাপাশি অস্থিরতা না কমায় নেপালের নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। জেনারেল সিগদেল বলেন, জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব সবার।
কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলের বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান
ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) চীন ও ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
বিক্ষোভের মুখে আজ মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। কারফিউ উপেক্ষা করে সকাল থেকেই দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডুর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ করেন তরুণেরা। আন্দোলনের সামনের সারিতে দেখা যায় স্কুল-কলেজপড়ুয়াদের। তবে আন্দোলনে নেতৃত্ব কারা দিচ্ছেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। নেপালের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সর
গণবিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগের পর নেপালে আইন ও শাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট, আদালতসহ বহু সরকারি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া জেল ভাঙার ঘটনাও ঘটেছে।
নেপালে জেন-জি নেতৃত্বাধীন সরকার-বিরোধী আন্দোলন ব্যাপক সহিংস আকার ধারণ করেছে। মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির পদত্যাগের পর আন্দোলনকারীরা পুরো সরকারের পতনের দাবিতে রাজপথে অবস্থান নিয়েছেন। এ সময় দেশটির সংসদ ভবন, সুপ্রিম কোর্ট, প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডে
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, বাজার বড় মসজিদসহ উপজেলার অধিকাংশ মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন অনুপস্থিত রয়েছেন। নুরাল পাগলের দরবারে হামলা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, কবর থেকে মৃতদেহ তুলে পুড়িয়ে দেওয়া ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরসহ পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে আহত করাকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে চলে গেছেন তারা।
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে আবারও সামনে এলো তরুণদের শক্তি। বিশেষ করে জেনারেশন-জেড, যারা প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেড়ে ওঠা এক নতুন প্রজন্ম, তাদের ক্ষোভেই এখন টালমাটাল নেপাল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ছিল এই বিক্ষোভের সূচনা। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আন্দোলন রূপ নেয় দুর্নীতিবিরোধী অভ্যুত্থানে। শেষ পর্যন্ত এর চাপেই প