ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথায় মসজিদের চাবি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ২ ৩ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামে সকাল থেকে ১১ পর্যন্ত সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুটি বাড়ি ও একটি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়,এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন রামকান্তপুর ইউনিয়নের বাহিরদিয়া গ্রামের হেমায়েত হোসেনের সঙ্গে লুৎফর রহমান ও ইমরান মোল্লার বিরোধ চলে আসছিল।
পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে লুৎফর রহমান ও ইমরানের সমর্থক নজরুলের কাছে থাকা স্থানীয় মসজিদের দরজার চাবি চাইতে যান মৌলভী হেমায়েত হোসেনের সমর্থকরা। এ সময় চাবি না দেওয়ায় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর থেকে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
স্থানীয়রা আরও জানায়, খবর পেয়ে রাতে পুলিশ, বাহিরদিয়া মাদরাসার আলেমা-ওলামা ও বিএনপি নেতারা গিয়ে ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করেন এবং উভয়পক্ষ শান্ত থাকার পরামর্শ দেন। কিন্তু শুক্রবার সকালে হেমায়েত হোসেনের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে ইমরানের বাড়িতে হামলা চালায়। পরে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। এ সময় দুটি বাড়ি ও একটি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫৪ জন আহত হয়।
সালথা থানার ওসি মো. আতাউর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিবেশ শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি