ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: গাজায় ত্রাণ সরবরাহকারী ট্রাকের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল। জিম্মিদের মরদেহ হস্তান্তরে হামাসের গড়িমসির অভিযোগে এই পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি। যা বুধবার (১৫ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি শাখা ‘কোগাট’ জাতিসংঘকে আরও জানিয়েছে, মানবিক অবকাঠামোর নির্দিষ্ট প্রয়োজন ছাড়া কোনও জ্বালানি বা গ্যাস প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। গোষ্ঠীটি গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবাহের তদারকির দায়িত্বে রয়েছে।
কোগাটের নথিতে বলা হয়েছে, গাজায় নিহত জিম্মিদের মরদেহ হস্তান্তর সংক্রান্ত চুক্তি হামাস ভঙ্গ করেছে। ফলে মানবিক চুক্তির অংশ হিসেবে কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, জিম্মিদের মরদেহ হস্তান্তরে ধীরগতি দেখাচ্ছে হামাস। এ কারণেই ত্রাণবাহী ট্রাকের সংখ্যা দৈনিক ৩০০-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, এ পর্যন্ত চার জিম্মির কফিন ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করেছে হামাস। এখনও অন্তত ২৩ জন মৃত ও একজন নিখোঁজ বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। আরও চারজনের মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে মঙ্গলবার মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছে হামাস। তাদের দাবি, মরদেহগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা জটিল হওয়ায় বাড়তি সময় লাগছে।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা দপ্তরের (ওসিএইচএ) মুখপাত্র ওলগা চেরেভকো বলেন, আমরা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পুরো বিষয়ে অবহিত হয়েছি। আমরা আশা করি, জিম্মিদের মৃতদেহ হস্তান্তর সম্পন্ন হবে এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি