| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি জাতিসংঘের ফিলিস্তিন তদন্ত কমিশনের প্রধান নিযুক্ত

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ২৮, ২০২৫ ইং | ০৫:১৮:৫৭:পূর্বাহ্ন  |  ১৯৪৫৪১৫ বার পঠিত
ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি জাতিসংঘের ফিলিস্তিন তদন্ত কমিশনের প্রধান নিযুক্ত

আশিস গুপ্ত, নতুন দিল্লি : জাতিসংঘ জানিয়েছে, ওড়িশা হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এস. মুরালিধর ফিলিস্তিনি অঞ্চলের জন্য গঠিত স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। এই তিন সদস্যের কমিশন ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের সময় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের অভিযোগগুলি তদন্ত করবে। তদন্তের আওতায় থাকবে পূর্ব জেরুজালেম এবং ইসরায়েলও।

বিচারপতি মুরালিধর এখন জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান মানবাধিকার তদন্তের নেতৃত্ব দেবেন। মানবাধিকার পরিষদের প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত জর্গ লাউবার এই নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন। কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন জাম্বিয়ার ফ্লোরেন্স মুম্ব এবং অস্ট্রেলিয়ার ক্রিস সিডোটি।

ফ্লোরেন্স মুম্ব একজন অভিজ্ঞ আইনজ্ঞ, যিনি প্রাক্তন যুগোস্লাভিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ধর্ষণকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার খসড়া তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ক্রিস সিডোটি একজন মানবাধিকার আইনজীবী, যিনি বহু জাতিসংঘ সংস্থা ও জাতীয় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের পরামর্শক ছিলেন এবং অস্ট্রেলিয়ার মানবাধিকার কমিশনার হিসেবেও কাজ করেছেন।

এই কমিশন ২০২১ সালে তৈরি করা হয় এবং এর কাজ হলো ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল থেকে ফিলিস্তিনি অঞ্চল ও ইসরায়েলে ঘটানো ঘটনাগুলোর তদন্ত করা। তারা জাতি, ধর্ম বা পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য এবং পুনরাবৃত্ত উত্তেজনার মূল কারণও খুঁজে বের করবে।

গত বছর মানবাধিকার পরিষদ কমিশনের কাজ আরও বাড়িয়েছিল। এতে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন ও বিশ্বব্যাপী অস্ত্র সরবরাহের বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ব্যবহারকৃত অস্ত্রও এতে অন্তর্ভুক্ত। সম্প্রতি প্রকাশিত রিপোর্টে কমিশন জানিয়েছে যে, ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা করেছে।

বিচারপতি মুরালিধর প্রায় দুই দশক ধরে ভারতের উচ্চ আদালতে আইন অনুশীলন করেছেন। তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন এবং একাধিক জনস্বার্থ মামলায় অংশ নিয়েছেন। তিনি ২০০৬ সালে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান, পরে ২০২০ সালে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে বদলি হন এবং ২০২১ সালে ওড়িশা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন। ২০২৩ সালে অবসর নেওয়ার পর সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে মনোনীত করে।

কমিশন প্রতিবেদন বার্ষিকভাবে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ ও সাধারণ পরিষদে জমা দেবে।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪