| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়ে ট্রাইব্যুনাল: শেখ হাসিনা খুব সহজেই আন্দোলন শেষ করতে পারতেন

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ১৩, ২০২৬ ইং | ২২:৩৩:২৬:অপরাহ্ন  |  ২১১৩৯৬ বার পঠিত
মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়ে ট্রাইব্যুনাল: শেখ হাসিনা খুব সহজেই আন্দোলন শেষ করতে পারতেন
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ভুক্তভোগী বৈষম‍্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আরও দুইজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে।

ত্রি-সদস্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন। এবার প্রায় ৫৬ দিন পর, ট্রাইব্যুনাল প্রাপ্ত ৪৫৭ পৃষ্ঠার লিখিত রায় অনলাইনে প্রকাশ করেছে।

সংলাপের মাধ্যমে আন্দোলন শেষ করা সম্ভব ছিল

ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার কাছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংলাপে বসার পর্যাপ্ত সুযোগ ছিল। বিশেষ করে যখন তিনি পূর্বে একবার কোটা ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল উল্লেখ করেছে, শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের অবমূল্যায়ন ও বিষয়টি উপেক্ষা করেছিলেন, যার ফলে জুলাই গণহত্যার নৃশংস ঘটনা সংঘটিত হয়।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, আন্দোলনকারীদের ওপর চালানো নিষ্ঠুরতার প্রকৃতি ও ব্যাপ্তি ‘সারা বিশ্বের মানুষের হৃদয়কে সরাসরি আঘাত করেছে।’ ভিডিও প্রমাণ এবং ভুক্তভোগী সাক্ষীদের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থার প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

অভিযোগ ও রায়ের বিশদ

রায়ের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল মোট দুটি অভিযোগের ছয়টি ঘটনা উল্লেখ করেছে।প্রথম অভিযোগের তিনটি ঘটনা:২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকার’ বলার উসকানি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মাকসুদ কামালের সঙ্গে কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের ফাঁসির হুমকি। রংপুরে আবু সাঈদকে হত্যা করে পুলিশ।

দ্বিতীয় অভিযোগের তিনটি ঘটনা:

২০২৪ সালের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনার সঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপস ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর ফোনালাপ। এই আলাপের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের অবস্থান নির্ণয় ও হত্যার নির্দেশ প্রদান। ৫ আগস্ট চানখারপুলে ছয় জন আন্দোলনকারীর হত্যা একই দিন সাভারের আশুলিয়ায় ছয় জনকে হত্যা ও লাশ পুড়িয়ে দেওয়া।

উভয় অভিযোগে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি ফাঁসির নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া তাদের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আপিলের অপেক্ষা

এদিকে, এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ (প্রসিকিউশন) সাজা বৃদ্ধি ও মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছে। আপিল শুনানির জন্য বর্তমানে অপেক্ষমাণ।

ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ শীর্ষ পর্যায়ে রাজনৈতিক ও মানবিক প্রেক্ষাপটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

যদি চাও, আমি এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত, অনলাইন নিউজ-ফ্রেন্ডলি ভার্সনে ২-৩ মিনিটে পড়ার মতো করে রূপান্তর করতে পারি, যেখানে মূল তথ্যগুলো হেডলাইন, সাবহেড ও বুলেট আকারে থাকবে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪