স্পোর্টস ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের বাদ পড়া নিয়ে সহানুভূতির কথা জানিয়েছে স্কটল্যান্ড ক্রিকেট। দেশটির প্রধান নির্বাহী ট্রুডি লিন্ডব্লেড বলেছেন, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়া মোটেও আদর্শ নয় এবং বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের জন্য সত্যিই খারাপ লাগছে।
বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করা এবং আইসিসির ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ প্রত্যাখ্যানের পর র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দল হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়। শনিবার আইসিসির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়ার পরপরই প্রস্তুতির তোড়জোড় শুরু করতে হয়েছে স্কটল্যান্ড বোর্ডকে।
এ প্রসঙ্গে ট্রুডি লিন্ডব্লেড বলেন, এভাবে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়া আমাদের প্রত্যাশার মধ্যে ছিল না। সাধারণত একটি নির্দিষ্ট বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই দলগুলো আসে। এই পরিস্থিতি একেবারেই ব্যতিক্রমী। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য আমাদের সত্যিই খারাপ লাগছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা বুঝতে পারছি, এভাবে বিশ্বকাপে আসা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে স্কটল্যান্ড বর্তমানে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ১৪ নম্বরে রয়েছে এবং নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে।
বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ার আগেই কয়েক দিন ধরে সম্ভাব্য বিভিন্ন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল স্কটল্যান্ড। লিন্ডব্লেড জানান, বোর্ডে মাত্র ৩০ জনের মতো স্টাফ থাকলেও সবাই এখন দিনরাত কাজ করছেন। একই সময়ে স্কটল্যান্ডের অনূর্ধ্ব–১৯ দল সফরে রয়েছে এবং নারী দল নেপালে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে অংশ নিচ্ছে, ফলে সামগ্রিকভাবে চাপ অনেকটাই বেড়েছে।
আগামী সোমবার স্কটল্যান্ড তাদের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করবে। আইসিসি আশ্বাস দিয়েছে, খেলোয়াড়দের ভারতীয় ভিসা দ্রুত প্রক্রিয়া করা হবে। আগামী সপ্তাহান্তেই ভারতে পৌঁছে বেঙ্গালুরুতে আফগানিস্তান ও নামিবিয়ার বিপক্ষে দুটি ওয়ার্মআপ ম্যাচ খেলবে দলটি।
নতুন প্রধান কোচ ওউয়েন ডকিন্সের অধীনে প্রস্তুতি নিচ্ছে স্কটল্যান্ড। পারফরম্যান্স প্রধান স্টিভ স্নেল বলেন, “আমাদের লক্ষ্য যতটা সম্ভব প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলা এবং বিশ্বকাপে নিজেদের সামর্থ্যের সেরা প্রমাণ দেওয়া।”
গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, ইতালি ও নেপাল। কলকাতা ও মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো। গ্রুপের শীর্ষ দুই দল জায়গা করে নেবে সুপার এইটে।