স্পোর্টস ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে দিনশেষের একমাত্র ম্যাচে ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করেছে। ম্যাচ হেরে যাওয়ায় কিউই দল সেমিফাইনালে ওঠার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে। দলের ওপেনাররা শুরুতে ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি। প্রথম ওভারের মধ্যে ফিল সল্ট ৪ বলে ২ রান করে আউট হন। তার সঙ্গে থাকা জস বাটলারও কোন রানের দেখা পায়নি। এরপর নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় উইকেটে হ্যারি ব্রুক ও জ্যাকবেথেল ব্যাটিংয়ে নামেন। ব্রুক ২৪ বলে ২৬ রান করেই আউট হন, দুই ওভারের ব্যবধানে বেথেল ১৬ বলে ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। দলের বিপর্যয় সামলাতে সক্ষম হন স্যাম কারান, ২২ বলে ২৪ রান করেন।
দলকে বিপদ থেকে বের করে আনে সপ্তম উইকেটে নামা উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ। উইল জ্যাকস অপরাজিত ২৮ রান এবং রেহান ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন। তাদের দৃঢ় ব্যাটিংয়ের ফলে ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে।
পিছনের বোলিংয়ে ইংল্যান্ডের জোফরা আর্চার নিউজিল্যান্ডের ওপেনার টিম সেইফার্টকে প্রথম ওভারে কঠিন পরীক্ষা দেন। তবে সেইফার্ট ২৫ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান করেন। অন্য ওপেনার ফিন অ্যালেন ১৯ বলে ২৯ রান করে আউট হন। নিউজিল্যান্ডের অন্য ব্যাটাররা স্পিনারদের দাপটে ব্যর্থ হন; রাচিন রবীন্দ্র ১১ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলে আউট হন। গ্লেন ফিলিপস ২৮ বলে ৩৯ রান করেন, যা দলের একমাত্র উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স।
ইংল্যান্ডের স্পিনাররা মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের ৭ উইকেট নেন। আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট নেন। ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক স্পিনারদের কৌশলগত ব্যবহার করেন এবং আর্চারকে ৩ ওভার এবং স্যাম কারানকে ১ ওভারের বেশি না খেলিয়ে সমন্বয় করেন।
এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সুপার সিক্স পর্বে সরাসরি স্থান নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনালে ওঠার আশা এই ম্যাচের পর অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে। দলের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে আগামী ম্যাচগুলোতে বড় ব্যবধানের জয়ের প্রয়োজন।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি