স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল থেকেই অনলাইনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। আজ যাত্রীরা যে টিকিট সংগ্রহ করছেন, তা দিয়ে আগামী ১৩ মার্চ ভ্রমণ করা যাবে।
রেলওয়ের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে পরবর্তী দিনগুলোর টিকিট বিক্রি করা হবে। ১৪ মার্চের টিকিট মিলবে ৪ মার্চ, ১৫ মার্চের টিকিট ৫ মার্চ, ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ বিক্রি করা হবে। ফলে যাত্রীরা আগেভাগেই পরিকল্পনা করে নির্ধারিত দিনে টিকিট সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে। কাউন্টার থেকে কোনো অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে না। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ও দীর্ঘ লাইনের চাপ এড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
টিকিট বিক্রির সময়সূচিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিক্রি শুরু হবে। আর পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে পাওয়া যাবে। এভাবে ভাগ করে দেওয়ার ফলে সার্ভারের ওপর চাপ কমবে এবং ব্যবহারকারীরা সহজে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন বলে আশা করছে রেল কর্তৃপক্ষ।
যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলওয়ে-এর নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে টিকিট কিনতে পারবেন। এ জন্য প্রথমবার ব্যবহারকারীদের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করতে হবে। যারা আগে থেকেই নিবন্ধিত, তারা শুধু লগইন করেই টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। অনলাইনে টিকিট কেনার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঈদকে সামনে রেখে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ সামাল দিতে বিশেষ ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে বিশেষ ট্রেন চালু ও কোচ সংযোজনের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এছাড়া টিকিট কালোবাজারি রোধে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ঈদকে ঘিরে প্রতিবছরই ট্রেনে ঘরে ফেরার আগ্রহ থাকে বেশি। সাশ্রয়ী ভাড়া, নিরাপদ যাত্রা ও সময়ানুবর্তিতার কারণে অনেকেই ট্রেনকে প্রাধান্য দেন। তাই আগেভাগেই টিকিট সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি