| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কূটনৈতিক অচলাবস্থায় হতাশ ট্রাম্প, তবুও ‘জয়ের’ দাবি

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ০৭, ২০২৬ ইং | ০৭:৩০:১৬:পূর্বাহ্ন  |  ১০৩১৭৩৯ বার পঠিত
কূটনৈতিক অচলাবস্থায় হতাশ ট্রাম্প, তবুও ‘জয়ের’ দাবি
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান যুদ্ধ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও জনঅসন্তোষের মুখে এক মার্কিন বিমানসেনার নাটকীয় উদ্ধার অভিযানকে বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরে নতুন করে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট  ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের ভেতরে ভূপাতিত হয়ে আটকা পড়া এক মার্কিন বিমানসেনাকে ঘিরে সম্ভাব্য বড় সংকটের মুখে পড়েছিলেন ট্রাম্প। তবে ইস্টার সপ্তাহান্তে ওই সেনার সাহসী উদ্ধার অভিযান পরিস্থিতি বদলে দেয়। সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি এই ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের বর্ণনা দেন এবং এটিকে একপ্রকার ‘অলৌকিক’ সামরিক সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করেন।

ট্রাম্প বলেন, আমাদের অসাধারণ দক্ষ মানুষ রয়েছে। সময় এলে আমরা আমাদের লোকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে আকাশ-পাতাল এক করে ফেলি। ঈশ্বর আমাদের দিকে তাকিয়ে ছিলেন।

ইরানকে ঘিরে চলমান প্রায় পাঁচ সপ্তাহের যুদ্ধ এখনো মার্কিন ভোটারদের কাছে অজনপ্রিয়। এই প্রেক্ষাপটে সামরিক অভিযানের ‘নাটকীয়তা’ তুলে ধরে জনসমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। এর আগে গত সপ্তাহেও তিনি একবার সরাসরি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন, যদিও সেখানে যুদ্ধের যৌক্তিকতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হন। এছাড়া ইস্টার সানডেতে সামাজিক মাধ্যমে তার অশালীন ভাষার পোস্ট নিয়েও সমালোচনা তৈরি হয় এবং তার মানসিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে ট্রাম্পের রাজনৈতিক কৌশলের পরিচিত চিত্রই ফুটে ওঠে,গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকে নিজের মতো করে তুলে ধরে সেটিকে জনসমর্থনের আহ্বানে পরিণত করা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি উদ্ধার অভিযানের নানা খুঁটিনাটি তুলে ধরেন। জানান, আহত এক কর্মকর্তা দুই দিন ইরানের ভেতরে আত্মগোপন করে ছিলেন। তাকে উদ্ধারে অভিযান চালানো দল দুর্গম পাহাড় অতিক্রম করে এবং বালুময় এলাকায় আটকে পড়া উড়োজাহাজ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত শত্রুর হাতে পড়ার আশঙ্কায় কিছু সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করে দেওয়া হয়।

ট্রাম্প বলেন, শত শত মানুষ নিহত হতে পারত। তিনি জানান, কিছু সামরিক কর্মকর্তা এই ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের বিপক্ষে মত দিয়েছিলেন।

যৌথ বাহিনীর চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের কাছে অভিযানে কতজন অংশ নিয়েছিলেন জানতে চাইলে তিনি সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করতে অনীহা জানান। তবে ট্রাম্প বলেন, “সংখ্যাটা শত শত।”

সংবাদ সম্মেলনে ভিড় জমা সাংবাদিকদের মধ্যে প্রশ্ন করার সুযোগ নিয়ে প্রতিযোগিতাও দেখা যায়। এ সময় উদ্ধার অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ নিয়ে এক সংবাদমাধ্যমকে হুমকি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানো হতে পারে।

একই সঙ্গে তিনি কূটনৈতিক অচলাবস্থা, মিত্রদেশগুলোর সহযোগিতার অভাব এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ  হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

যুদ্ধ বাড়ানো বা শেষ করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি। তিনি বলেন, আমি এখনই কিছু বলতে পারছি না। জানি না।তবে সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে তিনি আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে বলেন, আমরা জিতেছি। তারা সামরিকভাবে পরাজিত। সূত্র:   রয়টার্স

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪