| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

‘টাকা আপনি খাইছেন এটা তো বলিনি’ফোনালাপে জেলা পরিষদ প্রশাসক

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ৩১, ২০২৬ ইং | ১৩:৫৫:১৯:অপরাহ্ন  |  ৭৪৪ বার পঠিত
‘টাকা আপনি খাইছেন এটা তো বলিনি’ফোনালাপে জেলা পরিষদ প্রশাসক

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: কুমিল্লা জেলা পরিষদের তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে দেওয়া বক্তব্য ও পরবর্তী ফোনালাপ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়ার সঙ্গে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর একটি ফোনালাপের ৫৩ সেকেন্ডের রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার (৩০ মে) ছড়িয়ে পড়া ওই কল-রেকর্ডকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এর আগে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া।

সেখানে তিনি বলেন, জেলা পরিষদের রাজস্ব খাত থেকে মুরাদনগরের আসিফ মাহমুদ ১৫ কোটি টাকা এবং হাসনাত আব্দুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন। এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

পরে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মোস্তাক মিয়ার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। ওই ফোনালাপের ৫৩ সেকেন্ডের একটি অংশ পরে ভাইরাল হয়।

ছড়িয়ে পড়া অডিওতে শোনা যায়, উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে কথোপকথন হয়। সেখানে প্রশাসক মোস্তাক মিয়া বলেন, তিনি রাজস্ব খাত নয়, বিভিন্ন খাত মিলিয়ে জেলা পরিষদের মাধ্যমে দুই উপজেলায় উন্নয়ন কাজে অর্থ বরাদ্দের কথা বলেছেন।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, দেবীদ্বার ও মুরাদনগর উপজেলায় মোট ২৫ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়েছে।

ফোনালাপে হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রশ্ন করেন, ‘আপনি কী বলছেন?’ জবাবে মোস্তাক মিয়া বলেন, ‘আমি বলছি ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কে আপনারা দুই উপজেলায় নিয়ে গেছেন ২৫ কোটি।’

এ পর্যায়ে প্রশাসক আরও বলেন, ‘আমি তো বলিনি আপনারা টাকা খাইছেন, কাজের জন্যই নেওয়া হয়েছে।’

অন্যদিকে, হাসনাত আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ জেলা পরিষদের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজে ব্যয় হয়েছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, দেবীদ্বারে ১০ কোটি নয়, বরং ৫ কোটি টাকা এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং রাজস্ব খাতের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

তিনি আরও বলেন, রাজস্ব খাত ও বিশেষ বরাদ্দের পার্থক্য বুঝলে জেলা পরিষদের প্রশাসক এমন মন্তব্য করতেন না। তার ভাষায়, বক্তব্যটি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন অর্থ ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয়েছে, অথচ তা উন্নয়ন কাজে ব্যয় হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া বলেন, দুই উপজেলায় মোট ২৫ কোটি টাকা উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কেউ ব্যক্তিগতভাবে অর্থ নিয়ে খেয়েছে এ ধরনের কোনো বক্তব্য তিনি দেননি বলেও দাবি করেন।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪