পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নে এক স্কুলশিক্ষক কর্তৃক নিজের সাবেক ছাত্রীকে নিয়ে উধাও এবং পরবর্তীতে বিয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৩ জুন) টেপ্রীগঞ্জ মডেল স্কুলের শিক্ষক মো. রুমেল হোসেন একই বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মিম আক্তারকে নিয়ে বাড়ি থেকে উধাও হন। পরবর্তীতে জানা যায়, তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. রুমেল হোসেন টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের চতুরাডাঙ্গী এলাকার মো. খোকা মিয়ার ছেলে। অপরদিকে মিম আক্তার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের ওমরখানা এলাকার মো. মোশারফ হোসেনের মেয়ে।
বিষয়টি নিয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে শিক্ষক রুমেল হোসেন বলেন, “মিম অনেক আগেই বিদ্যালয় ছেড়েছে। বর্তমানে তাকে বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভুল ও অসত্য। গত বুধবার মিম নিজ ইচ্ছায় আমার বাড়িতে আসে। পরে আমরা আইনি এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করি। মিম বর্তমানে আমার বাড়িতেই রয়েছে এবং দুই পরিবারের মধ্যেও সমঝোতা হয়েছে।”
মিমের বয়স সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাগজপত্র প্রস্তুত করেই তারা এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন।
এ বিষয়ে টেপ্রীগঞ্জ মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক মনজুরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “মিম আমাদের বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের ব্যাচের ছাত্রী ছিল। সে ইতোমধ্যে বিদ্যালয় থেকে বিদায় নিয়েছে। শিক্ষক রুবেল বর্তমানে আমাদের বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন, তবে এখন ছুটিতে বা বাড়িতে অবস্থান করছেন। লোকমুখে শুনেছি, তিনি ওই ছাত্রীকে বিয়ে করেছেন এবং মেয়েটি এখন তার বাড়িতেই রয়েছে।”
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় পক্ষে-বিপক্ষে নানা মন্তব্য ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন