| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের গোড়া থেকে অতিরিক্ত মাটি সরানো হয়েছে: সেতুমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১৬, ২০২৬ ইং | ২০:৪৪:৪১:অপরাহ্ন  |  ১০৩২ বার পঠিত
পদ্মা রেলসেতুর পিলারের গোড়া থেকে অতিরিক্ত মাটি সরানো হয়েছে: সেতুমন্ত্রী

রিপোর্টার্স ডেস্ক: পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়ার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে সৃষ্ট আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, পিলারের গোড়া থেকে ঝুঁকিপূর্ণভাবে কোনো মাটি অপসারণ করা হয়নি। নির্মাণকাজের সময় তৈরি করা অতিরিক্ত প্রতিবন্ধকতা ও সহায়ক অংশের মাটিই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় পদ্মা রেলসেতুর একটি পিলারের নিচ থেকে মাটি কাটার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘মাটি খুঁড়ে নেওয়া হয়েছে, বিষয়টা এমন নয়। সেতু নির্মাণের সময় কিছু ছোট ছোট ব্যারিয়ার বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছিল।

প্রয়োজনের কারণে সেখান থেকে কিছু মাটি সরানো হয়।’তিনি জানান, এসব অংশ নির্মাণকাজের সহায়ক হিসেবে রাখা হয়েছিল।

দীর্ঘদিন তা অপসারণ না করায় জায়গাটি উঁচু হয়ে যায় এবং সেখানে মই ব্যবহার করে কিছু সামগ্রী চুরি হওয়ার ঘটনা বা এমন আশঙ্কা তৈরি হয়। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিরিক্ত মাটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পরে সেখানে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা নিয়েও কথা বলেন শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, বাসস্ট্যান্ডকে দীর্ঘসময় বাস রাখার স্থান হিসেবে নয়, যাত্রী ওঠানামার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতে চায় সরকার। অতিরিক্ত সময় বাসগুলো ডিপোতে রাখা হবে, যাতে যানজট ও অব্যবস্থাপনা কমানো যায়।

সেতুমন্ত্রী জানান, মহাখালী বাস টার্মিনাল আপাতত বহাল থাকছে। তবে স্থায়ীভাবে উত্তরায় নতুন টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য ৫০ বিঘা জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ৩০০ ফিট এলাকায় একটি স্থান সাময়িক ডিপো হিসেবে ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হবে, যেখানে দীর্ঘসময় অপেক্ষমাণ বাসগুলো রাখা হবে।

তিনি আরও বলেন, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ধীরে ধীরে কাঁচপুর এলাকায় স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পরই এ স্থানান্তর কার্যকর করা হবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের আগে কোনো বাস টার্মিনালে অবস্থান করবে না। যাত্রার আগে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্ট্যান্ডে এসে যাত্রী নেবে, আর বাকি সময় ডিপোতে অবস্থান করবে। এর মাধ্যমে রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে যানজট ও বিশৃঙ্খলা কমিয়ে সেবার মান উন্নত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রিপোর্টার্স২৪/ মিতু

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪