| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ২৫, ২০২৬ ইং | ১৬:৫০:৩৩:অপরাহ্ন  |  ২০২৪ বার পঠিত
দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দেশে হাম ও হামের উপসর্গজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৫ শিশু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৬৯৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

এর ফলে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০৫ জনে। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৩ শিশু।

সব মিলিয়ে গত তিন মাসের কিছু বেশি সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৬৯৮ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ শিশু। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ৮৯৩ শিশু। ফলে একদিনে হাম ও উপসর্গজনিত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪৫ জনে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৬০ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯০৬ শিশু।

চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে হামপ্রবণ এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার ৬৫৩ জনে।

এর মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ৪৪২ জন।

একই সময়ে মোট ৮০ হাজার ৪৯৭ জন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৭৬ হাজার ৭৮৮ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের নিয়ে আসা, আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও অভিভাবকদের শিশুদের টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি, কাশি বা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪