| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড ‘জেনোসাইড’: চিফ প্রসিকিউটর

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ২৭, ২০২৬ ইং | ১৬:৪০:৪৮:অপরাহ্ন  |  ১০৫৯ বার পঠিত
শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড ‘জেনোসাইড’: চিফ প্রসিকিউটর

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডকে ‘জেনোসাইড’ বা গণহত্যা হিসেবে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিলের পর এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, হেফাজতে ইসলামকে নির্মূলের উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব এবং আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। ঘটনার পর এ বিষয়ে দায়ের করা মামলার কার্যকর তদন্ত বা বিচার হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর শাপলা চত্বরের ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত তদন্ত শেষ করে বিচারের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। শিশু ও আলেম-ওলামাসহ মানুষকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। দেশের ইতিহাসে এমন বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের নজির খুব কম বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আমিনুল ইসলাম জানান, শাপলা চত্বরের ঘটনায় মোট ৬১ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৫৮ জনের নাম-ঠিকানা শনাক্ত করা হয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যে দুটি পৃথক হত্যাকাণ্ডকে ভিত্তি করে ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম ঘটনায় ২০১৩ সালের ৫ মে মধ্যরাতে শাপলা চত্বরে ৩২ জন নিহত হওয়ার অভিযোগ এবং দ্বিতীয় ঘটনায় ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জন নিহত হওয়ার অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে ৪১ আসামির এসব ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হেফাজতে ইসলাম এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়ে আসছিল। কিন্তু কার্যকর তদন্ত না হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়া এগোয়নি। বর্তমান ট্রাইব্যুনাল মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শেষ করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনা নিয়ে হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক ইসলামাবাদী ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে অভিযোগ করেছিলেন। জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে করা ওই অভিযোগে প্রাথমিকভাবে ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪