| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

প্রিজাইডিং অফিসারদের ক্ষমতায়ন ও দেহরক্ষী দিতে চায় ইসি

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ০৪, ২০২৫ ইং | ১৭:১৭:১২:অপরাহ্ন  |  ১৬৬৬৪২১ বার পঠিত
প্রিজাইডিং অফিসারদের ক্ষমতায়ন ও দেহরক্ষী দিতে চায় ইসি
ছবির ক্যাপশন: প্রিজাইডিং অফিসারদের ক্ষমতায়ন ও দেহরক্ষী দিতে চায় ইসি

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক :ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের ক্ষমতায়নসহ দেহরক্ষী দিতে উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাশাপাশি ভোট ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে আরও কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে মাঠ কর্মকর্তাদের প্রস্তাব পাঠাতে বলেছে সংস্থাটি।

সোমবার (৪ আগস্ট) ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্ট সবাইকে পাঠিয়েছেন।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৯(১খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রের জন্য একজন প্রিজাইডিং অফিসার এবং প্রিজাইডিং অফিসারকে সহায়তা দেওয়ার জন্য তদ্বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করে থাকেন। নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভোটকেন্দ্র প্রধান হিসেবে প্রিজাইডিং অফিসারের ক্ষমতায়ন, কর্মপরিধি (দায়িত্ব ও কর্তব্য) ও নিরাপত্তা বিধান অত্যাবশ্যক। ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তা ও ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বিধানে প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণ জোরালো করা প্রয়োজন মর্মে নির্বাচন কমিশন সাতটি সুপারিশ দিয়েছেন।সুপারিশগুলো হলো-

১. প্রিজাইডিং অফিসার ও তার টিম মালামালসহ কেন্দ্রে পৌঁছানোর জন্য যথোপযুক্ত যানবাহনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

২. মালামাল নেওয়া থেকে শুরু করে প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক ফলাফল নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দাখিল করা অবধি ১ জন আনসার/ পুলিশ সদস্যকে দেহরক্ষী হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে নিয়োজিত করা।

৩. প্রিজাইডিং অফিসারকে সহযোগিতা করার জন্য ১ জন অফিস সহায়ক নিয়োগ দেওয়া।

৪. যতদূর সম্ভব কেন্দ্রের সব মালামাল ও জনবল একইসঙ্গে কেন্দ্রে যাওয়া এবং অবস্থান বাধ্যতামূলক করা।

৫. প্রিজাইডিং অফিসার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যাতে তাদের কেন্দ্রের জনবলের আহারের ব্যবস্থা করেন তা নিশ্চিত করা।

৬. গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৮৯ (ক) অনুচ্ছেদ অনুসরণে প্রিজাইডিং অফিসারদের ক্ষমতায়নের বিষয় বিবেচনা নেওয়া।

৭. মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসার, স্ট্রাইকিং ফোর্স সর্বোপরি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের ব্যবস্থা করা।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ওই বিষয়াদির সঙ্গে প্রিজাইডিং অফিসারদের দায়িত্বপালনে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও অ্যাপসের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে আরও কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে মাঠ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের মতামত গ্রহণের সিদ্ধান্ত দেন। এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মতামত দেওয়ার অনুরোধ করা হলো।

রিপোর্টার্স২৪/সোহাগ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪