মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে গিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই অস্ট্রেলিয়ার হাতে তুলে দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দিন শেষে সেই স্বস্তি পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেনি স্বাগতিকরা। বল হাতে দুর্দান্ত জবাব দিয়েছেন বাংলাদেশের পেসার শরিফুল ইসলাম। একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামিয়েছেন তিনি। তার ছয় উইকেটের সুবাদে অস্ট্রেলিয়াও বড় লিড নিতে পারেনি। প্রথম দিনের খেলা শেষে ৮ উইকেটে ১৬৫ রান করেছে স্বাগতিকরা, লিড দাঁড়িয়েছে ১০১ রানে।
দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সব মিলিয়ে সাত উইকেট পড়ে। বাংলাদেশকে ৬৪ রানে অলআউট করার পর অজিরা চা বিরতির আগে ৩ উইকেটে ৫০ রান করে। শরিফুল ইসলামের জোড়া আঘাতে তাদের তিনটি উইকেট পড়ে ৪১ রানের মধ্যে। তবে স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে উল্টো অস্বস্তিতে পড়েছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত এই জুটি ভাঙলেন শরিফুল। দলীয় স্কোর একশ পার করে অজিদের লিড পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে।
ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে মিচেল স্টার্কের দুর্দান্ত পেস বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারল না বাংলাদেশ। ৩৪ ওভার শেষে দলীয় ৬৪ রানে সবকটি উইকেট হারাল টাইগাররা। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এটি ছিল তাদের চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে শোচনীয় হার দেখেছিল অস্ট্রেলিয়া। ৯ উইকেটের ইতিহাসগড়া জয়ে ক্রিকেটবিশ্বকে লাল বলে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছে টাইগাররা। এমন জয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই দলের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে। বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত-ও সেটাই অকপটে জানালেন।
আসন্ন মৌসুমে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। বিপিএল ঘিরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন অনিয়ম, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর চুক্তি লঙ্ঘন এবং বিশাল অঙ্কের আর্থিক লোকসান কাটিয়ে উঠতে টুর্নামেন্টটি আপাতত বন্ধ রেখে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের সাক্ষী হতে পারেননি শরিফুল ইসলাম। চোটের কারণে একাদশের বাইরে থাকা এই পেসার অবশ্য বিষয়টিকে দুর্ভাগ্য হিসেবে দেখছেন না। বরং ইনজুরির পর বিশ্রাম ও পুনর্বাসনের সময়টিকে শরীরের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি।
বাংলাদেশের কাছে প্রথমবার ঘরের মাঠে টেস্ট হেরে বেশ বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়া। ঘরে-বাইরে ব্যাপক সমালোচনায় তারা ব্যাকফুটে অবস্থানে। অবিশ্বাস্যভাবে প্রথম টেস্টের পরই স্কোয়াডে বদল এনে ওপেনার জ্যাক ওয়েদারল্ডকে বাদ দিয়েছে প্যাট কামিন্সের দল। এ ছাড়া মার্নাস লাবুশেন টিকে থাকলেও জায়গাটা নড়বড়ে হয়ে আছে। এ
ঐতিহাসিক বা বড় জয়ের পর খেলোয়াড় ও টিম ম্যানেজমেন্টকে আর্থিক পুরস্কৃত করার একটা পুরোনো সংস্কৃতি আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি)। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অবিস্মরণীয় টেস্ট জয়ের পর তাই প্রত্যাশিতভাবেই প্রশ্নটা উঠেছিল, এবার কি দেওয়া হচ্ছে ক্রিকেটারদের!
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জিতেছে। এক কথায় স্বাগতিকদের গুড়িয়ে দিয়ে ৯ উইকেটে দারুন জয় তুলে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তরা। এই জয়কে সামনে রেখে এবার বড় দলগুলোর বিপক্ষে আরও বেশি খেলার সুযোগ তৈরির আশা দেখছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে দারুণ আধিপত্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ এইচপি দল। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচেও মালয়েশিয়াকে ২৩৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তিন ম্যাচেই জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশের তরুণরা। ফলে সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করেছে তারা।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে মুগ্ধ হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক তারকা ব্যাটার উসমান খাজা। বাংলাদেশের এমন অসাধারণ পারফরম্যান্সকে টেস্ট ক্রিকেটের প্রকৃত সৌন্দর্যের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস লিখল বাংলাদেশ। ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো তাদের ঘরের মাঠে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল টাইগাররা। ব্যাট হাতে তানজিদ হাসানের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি আর বল হাতে হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে চার দিনের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়াকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে এই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫৭ রান। সহজ সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এক উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।
ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশকে ৫৭ রানের টার্গেট দিয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২৮৪ রান। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে টাইগারদের দরকার ৫৭ রান।
অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—তিন সংস্করণেই খেলেছেন। পেয়েছেন ক্রিকেটের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পরিচয়গুলোর একটি, ‘ব্যাগি গ্রিন’। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে সেই মোইসেস হেনরিকসই এখন ছুটছেন অন্য এক স্বপ্নের পেছনে—পর্তুগালকে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিয়ে যাওয়া।