ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন (বিএফএ) ঠাকুরগাঁও জেলা ইউনিট বিদ্যমান সার নীতিমালা বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি মোদাচ্ছের হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংগঠনের উপদেষ্টা পয়গাম আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজুসহ ইউনিটের অন্যান্য নেতারা।
নেতারা বলেন, দেশের কৃষি উৎপাদন টিকিয়ে রাখতে রাসায়নিক সার বিতরণব্যবস্থার ধারাবাহিকতা জরুরি। কিন্তু ডিলারের সংখ্যা বাড়ালে মনিটরিং দুর্বল হয়ে পড়বে এবং কৃষক সঠিক সময়ে সার না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই ডিলার সংখ্যা না বাড়িয়ে বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে বরাদ্দ নির্ধারণ করার দাবি জানান তাঁরা।
সংগঠনের আরও দাবি—দীর্ঘদিন ধরে যারা সার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের ডিলারশিপ বহাল রাখতে হবে। বিদ্যমান কমিশন ১৫ বছর ধরে প্রতি বস্তায় ১০০ টাকা থাকলেও, পরিবহনসহ খরচ বেড়ে যাওয়ায় তা ২০০ টাকায় উন্নীত করতে হবে।
ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের কাছে বিক্রিত সারের ওপর উৎস কর আরোপ অযৌক্তিক, তাই তা দ্রুত বাতিল করতে হবে। টিএসপি সারের বরাদ্দ অপ্রতুল, বরাদ্দ বাড়াতে হবে অথবা একেবারে বন্ধের উদ্যোগ নিতে হবে। নতুন সার নীতিমালা প্রণয়নের আগে মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তা ও বিএফএ প্রতিনিধিদের মতামত নিতে হবে।
বক্তারা জানান, বিসিআইসির ডিলাররা প্রায় ৩০ বছর ধরে সরকারের নিয়মকানুন মেনে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। কৃষক যেন সঠিক সময়ে ন্যায্যমূল্যে সার পান, সেই নিশ্চয়তা দিতে হলে বিদ্যমান নীতিমালাই বহাল রাখা দরকার বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।
রিপোর্টার্স২৪/ প্রীতিলতা