| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সে আমাকে আইনগতভাবে বিয়ে করেনি, এটা ধর্ষণ: মুফতি কাসেমীর তৃতীয় স্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ১৯, ২০২৫ ইং | ০৫:৪৪:২৬:পূর্বাহ্ন  |  ১৯৯৪১৬৫ বার পঠিত
সে আমাকে আইনগতভাবে বিয়ে করেনি, এটা ধর্ষণ: মুফতি কাসেমীর তৃতীয় স্ত্রী
ছবির ক্যাপশন: মুফতি মামুনুর রশিদ কাসেমী ও তৃতীয় স্ত্রী তামান্না হাতুন

স্টাফ রিপোর্টার: পরকীয়া ইস্যুতে ধর্মীয় বক্তা ত্বহা মোহাম্মদ আদনানের সমালোচনার রেশ না কাটতেই আরেক মুফতি মামুনুর রশিদ কাসেমীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন তারই তৃতীয় স্ত্রী বলে দাবি করা তামান্না হাতুন। 

তিনি অভিযোগ করেন, তার স্বামী মুফতি মামুনুর রশিদ কাসেমী তাকে তালাক দেওয়ার পরও তার সঙ্গে জোর করে শারিরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন, ধর্ষণ করেছেন। এতে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।

সামাজিক সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন তামান্না হাতুন।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি মুফতি মামুনুর রশিদ কাসেমীর তৃতীয় নম্বর স্ত্রী। স্ত্রী বললেও ভুল হবে। সে বিবাহর নাম করে, কিন্তু আইনগত ভাবে বিবাহ করে না, ধরতে পারেন এটা ধর্ষন, জুলুম। এক বছর যাবত সবাইকে বলে জামাই বউ, কিন্তু মিথ্যা।’

তিনি লিখেছেন, ‘Ideal Marriage Bureau-IMB এর মাধ্যম মেয়েদেরকে সংসার দিবে সেটা ওরা ওয়াদা করে। তাদের দুঃখ কষ্ট তারা দেখবে, কিন্তু এইসবের পিছনে তারা সেইসব নারীদেরকে এক মাস দুই মাসের জন্য কন্টাক্টে বিয়ে দেয় কিছু কিছু বড়লোক লোকের সাথে এবং তারা যখন তাকে ছেড়ে দেয়, তখন প্রশ্ন করলে বলে- বউ বেশি তর্ক করে তাই ছেড়ে দিয়েছি। একদিক দিয়ে মহিলাদেরকে ঘর সংসার দিবে বলে। আরেকদিকে ইচ্ছাকৃতভাবে মহিলাদেরকে ব্যবহার করে তাদের সংসার নষ্ট করার পরিকল্পনা করে। এসব নিয়ে বলতে গেলে তার সাথে আমার ঝামেলা হয় এবং একপর্যায়ে মুখে তালাক দেয়।’

তামান্না লিখেছেন, ‘তার সাথে আমার তালাক হওয়ার পরেও সে আমার সাথে অবৈধভাবে মেলামেশা করে এই বলে যে সে সবকিছু ঠিক করে নিবে এবং সেই সময় আমার গর্ভে একটি বাচ্চাও আসে। বাচ্চা আসার আগে সে আমাকে ঘর থেকে বের করে দেয়। আমি আমার মামার বাসায় যাই। কয়দিন পর আমি যখন ডক্টরের কাছে যাই তখন এই খবর পাই যে আমি গর্ভবতী এবং সেটা আমি তাকে জানাই। সে আমাকে বলে এটা অবৈধ সন্তান এটা পৃথিবীতে আসলে তোমার আর আমার জন্য ক্ষতিকর। আল্লাহর কাছে জবাব দিতে হবে। এই বাচ্চা ফেলে দাও। আমি সবকিছু ঠিক করে ফেলব।’

গর্ভপাত প্রসঙ্গে তামান্না লিখেছেন, ‘সে আর তার দুলাভাইয়ের প্রথম স্ত্রী আমাকে জোর করব ওষুধটি খাওয়ায়। বাচ্চা নষ্ট হওয়ার তিনদিন পর সে কুষ্টিয়াতে যেয়ে একটি ১৩ বছরের মেয়েকে বিয়ে করে।’

মুফতি কাসেমীর বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন তামান্না। সে বিষয়ে তিনি লিখেছেন, ‘১৪ই অক্টোবর (২০২৫) আমি তার বিরুদ্ধে একটি মামলা জমা দেই। আমি আশা করতেছি এটার ভালো ফলাফল পাবো। ইমাম উদ্দিন আমার সৎ বাবা আমার মাকে হুমকি দেয়, তোমার মেয়ে যদি অনলাইনে এসে আমাদের বিরুদ্ধে কথা বলে তাহলে আমি তোমাকে সাথে সাথে তালাক দিয়ে দিব। আপনারা যতটুকু জানেন আমি এই আইডি থেকে সব পজিটিভ পোস্ট করতাম ওদেরকে নিয়ে। অনেক মা বোন এসেছেন এবং আমার সাথে কথা বলেছেন। একটা সময় মনে হতো আমি সবথেকে ভালো কাজের সাথে যুক্ত আছি কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পৃথিবীর সবথেকে নিকৃষ্ট কাজের সাথে আমি যুক্ত আছি। আমি চাইলেই আমার জীবন নতুন করে শুরু করতে পারতাম কিন্তু ওদেরকে না থামাইলে মহিলাদের সাথে ওরা এরকমই প্রতারণা করবে।’

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪