চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ১৪ এপ্রিল সকাল সাড়ে দশটায় বর্ণাঢ্য এক র্যালির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। গ্রামীণ সংস্কৃতির নানামুখী আয়োজনের সমাহারের সঙ্গে উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যুক্ত করেছে।
নববর্ষের শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জারুলতলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এবং বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমীন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জাহেদুর রহমান চৌধুরীসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, চাকসুর নির্বাচিত নেতৃত্ব, শাখা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয় আমার অন্তরের অত্যন্ত কাছের। কারণ আমার বাবা-মা দুজনই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। সেই হিসেবে তাদের সন্তান হিসেবে এবং এই এলাকার সন্তান হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আমার সাধ্যের মধ্যে যতটুকু আছে, আমি করব।”
তিনি আরও বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের ক্ষেত্রে আপনাদের সকল দাবিতে আমি সরকারের পক্ষে নয়, আপনাদের পক্ষে দাঁড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলব।”
অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যেন বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে। সেই ধারায় আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘রংধনু জাতি’র কথা বলেন।”
তিনি আরও বলেন, “জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই হেঁটেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তার পুরো রাজনৈতিক জীবন স্বমহিমায় উজ্জ্বল।”
অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, “দীর্ঘদিন পর আমাদের শিক্ষার্থীরা আজ উচ্ছ্বসিত। তারা আনন্দঘন পরিবেশে দিনটি উদযাপন করতে পারছে। আমরা আমাদের ক্যাম্পাসকে সবসময় এমন উৎসবমুখর পরিবেশে দেখতে চাই।”
রিপোর্টার্স২৪/এসএন