রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: গ্রীষ্মের জনপ্রিয় রসালো ফল ফুটি স্বাদে মিষ্টি, শরীরকে রাখে সতেজ। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে যেকোনো ফল খাওয়ার আগে রক্তে শর্করার প্রভাব বিবেচনা করা জরুরি। তাই প্রশ্ন ওঠে ডায়াবেটিস থাকলে ফুটি খাওয়া কি নিরাপদ?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীরা ফুটি খেতে পারেন, তবে অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে। ফুটির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাঝারি (প্রায় ৬০-৬৫), অর্থাৎ এটি রক্তে শর্করা তুলনামূলক ধীরে বাড়ায়, যদি নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে খাওয়া হয়।
কতটুকু ফুটি খাওয়া নিরাপদ?
পুষ্টিবিদরা বলছেন, একবারে ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম বা এক ছোট বাটি ফুটি খাওয়া নিরাপদ। সকালে বা দুপুরে খেলে শরীর সহজে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। একসঙ্গে বেশি পরিমাণ বা অন্য মিষ্টি ফলের সঙ্গে খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।
ফুটির পুষ্টিগুণ কী?
ফুটি শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিতেও সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে, ভিটামিন সি ও এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রচুর পানি (প্রায় ৯০%), খাদ্য আঁশ
এই উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সহায়তা করে এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে। এছাড়া পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কীভাবে খেলে উপকার বেশি?
ফুটি খাওয়ার সময় কিছু নিয়ম মানলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়, বাদাম বা বীজের সঙ্গে খেলে শর্করা ধীরে শোষিত হয়, কম গ্লাইসেমিক ফলের সঙ্গে অল্প পরিমাণে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে
জুস না করে পুরো ফল খাওয়াই উত্তম কখন এড়িয়ে চলবেন?
যদি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকে বা হঠাৎ বেড়ে যায়, তাহলে ফুটি খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। অতিরিক্ত খাওয়া বা প্রক্রিয়াজাত (ডেজার্ট) আকারে গ্রহণ করলে ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে।
পরিমিত ও সচেতনভাবে খেলে ফুটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি নিরাপদ, পুষ্টিকর ও সতেজ ফল হতে পারে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম