| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামল আরও ১০টি ব্যাংক

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৩, ২০২৬ ইং | ২১:৫৪:০৮:অপরাহ্ন  |  ২৫৬ বার পঠিত
‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামল আরও ১০টি ব্যাংক

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আরও ১০টি বাণিজ্যিক ব্যাংককে তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে নামিয়ে সর্বনিম্ন ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনায় রোববার (৩ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) আনুষ্ঠানিকভাবে এই ১০টি ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে শুরু করার ঘোষণা দেয়। সাধারণত বাজারে দুর্বল ও জাঙ্ক স্টক হিসেবে পরিচিত কোম্পানিগুলোকেই এই সর্বনিম্ন ক্যাটাগরিতে রাখা হয়, যা ব্যাংকগুলোর জন্য এক ধরনের বড় ইমেজ সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই তালিকায় থাকা ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে এবি ব্যাংক পিএলসি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি, ওয়ান ব্যাংক পিএলসি এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)। এ ছাড়াও এনআরবি ব্যাংক পিএলসি, এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি, প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি ও রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি এই অবনমনের শিকার হয়েছে। মূলত বিনিয়োগকারীদের টানা দুই বছর কোনো লভ্যাংশ প্রদান করতে ব্যর্থ হওয়ায় বিদ্যমান সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে এই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

ক্যাটাগরি পরিবর্তনের ফলে আজ থেকেই এই ব্যাংকগুলোর শেয়ার লেনদেনের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরের কারণে এখন থেকে এসব ব্যাংকের শেয়ার কিনতে বিনিয়োগকারীরা কোনো ধরনের মার্জিন ঋণ বা ক্রেডিট সুবিধা পাবেন না। ফলে বিনিয়োগকারীদের এখন থেকে এই ব্যাংকগুলোর শেয়ার সম্পূর্ণ নগদ অর্থে কিনতে হবে। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঋণ সুবিধা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব শেয়ারের চাহিদা কমে যাওয়ার পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে, যা সামগ্রিক লেনদেনে প্রভাব ফেলবে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) একই কারণে আরও তিনটি ব্যাংককে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামানো হয়েছিল। সেই ব্যাংকগুলো ছিল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি এবং সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংক পিএলসি। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দেশের ১৩টি ব্যাংক একযোগে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে চলে আসায় পুরো ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের ওপর বড় ধরনের চাপের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে অনেক বড় বিনিয়োগকারী এসব শেয়ার ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন বলে জানা গেছে।

বিএসইসির এই কঠোর অবস্থান মূলত বাজারের স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং লভ্যাংশ না দেওয়া কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির একটি প্রয়াস। দীর্ঘ সময় লভ্যাংশ না দিয়ে কোম্পানি চালানোর সংস্কৃতি বন্ধ করতেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে একসাথে এতগুলো ব্যাংকের এমন অবনমন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪