| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ব্যবসায়ী অংশীদারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ১৭, ২০২৬ ইং | ১৭:৫২:৩৩:অপরাহ্ন  |  ৯২৫৮১ বার পঠিত
ব্যবসায়ী অংশীদারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নেত্রকোণা প্রতিনিধি: নেত্রকোণার মদন উপজেলায় স্থায়ী অংশীদারকে না জানিয়ে এবং অংশীদারের টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে অন্য স্থানে নতুন নামে ইটভাটা স্থাপনের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে। 

এ নিয়ে নেত্রকোণা জেলার মদন উপজেলার কাইটাইল গ্রামের সাহাব উদ্দিন আহম্মদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, মদন উপজেলা-এর ৩নং মদন ইউনিয়নের মদন মৌজার নাগডর বিলপাড় এলাকায় অবস্থিত মেসার্স তুষার ব্রিকসের স্বত্বাধিকারী মোঃ পলাশ-উজ্জামান খানের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে চুক্তিভিত্তিক যৌথ ইটভাটার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর নেত্রকোণা কোর্টে নোটারি পাবলিক চুক্তিপত্রের মাধ্যমে তিনি ওই ইটভাটার ব্যবসায় আজীবনের জন্য ৪০ শতাংশ স্থায়ী অংশীদার হন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বর্তমানে ইটভাটায় তার একক বিনিয়োগের পরিমাণ এক কোটি ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৬ টাকা। তবে মোঃ পলাশ-উজ্জামান খান তাকে না জানিয়ে তার বিনিয়োগকৃত অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে কৌশলে অংশীদারিত্ব থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ লক্ষ্যে তিনি গোপনে বর্তমান মেসার্স তুষার ব্রিকসের সীমানা থেকে প্রায় ১০০ মিটার পশ্চিমে ৩নং মদন ইউনিয়নের কাপাসাটিয়া, গঙ্গানগর ও বাজিতপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মৎস্য অভয়াশ্রম বিলের ভুয়া দাগ-খতিয়ান দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব ছাড়াই ‘মেসার্স পলাশ ব্রিকস’ নামে পরিবেশ ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসকের আগাম লাইসেন্স নেওয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছেন।

অভিযোগকারী আরও জানান, অস্তিত্ববিহীন ‘মেসার্স পলাশ ব্রিকস’-এর নামে পরিবেশ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স প্রদান করা হলে তার বিনিয়োগকৃত অর্থ ও অংশীদারিত্ব চরম ঝুঁকির মুখে পড়বে। এতে তিনি ভয়াবহ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন এবং পরিবার নিয়ে মানবেতর অবস্থায় পড়তে পারেন। তাই মোঃ পলাশ-উজ্জামান খানের কথিত অসৎ উদ্দেশ্য প্রতিহত এবং তার আর্থিক ক্ষতি রোধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মোঃ পলাশ উজ্জামান খান এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে কথা বলা যায়নি। 

জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মতিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি, সত্যতা যাচাই-বাছাই করে ইটভাটার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আর অভিযোগকারীর টাকার বিষয়ে আদালতে আইনী সাহায্য নিতে পারেন।

রিপোর্টার্স২৪/মিতু

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪