শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ ও জনমত যাচাই। এ প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ডামুড্যা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদে বিএনপির মনোনীত (ধানের শীষ) সাবেক চেয়ারম্যান প্রার্থী, সমাজসেবক ও সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান সৈকতের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। শিক্ষা, ক্রীড়া, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে এলাকায় তিনি পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত।
সমর্থকদের দাবি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, সহজ-সরল আচরণ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তিনি ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের একটি অংশ তার প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, করোনা মহামারির সময় চিকিৎসাসেবা সংকটে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজ উদ্যোগে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করেন জিল্লুর রহমান সৈকত। তার এ মানবিক উদ্যোগে অনেক রোগী ও তাদের পরিবার উপকৃত হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
তার সমর্থকদের মতে, নির্বাচিত হলে ইউনিয়নে সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আধুনিক সেবাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, মাদক প্রতিরোধ এবং যুব উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবেন তিনি।
তবে স্থানীয়দের একটি অংশের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনসংযোগ ও প্রচারণা তত বাড়বে। তফসিল ঘোষণার পরই প্রকৃত জনসমর্থনের চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
এদিকে, জিল্লুর রহমান সৈকতের শুভাকাঙ্ক্ষীরা কনেশ্বর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে তার জন্য দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন। তারা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন এখনো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেনি। তফসিল ঘোষণা, মনোনয়নপত্র দাখিল, যাচাই-বাছাই ও প্রতীক বরাদ্দের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। ততদিন সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা ও জনসংযোগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি