স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে শুরু থেকেই জমে উঠেছে ব্রাজিল-নরওয়ে লড়াই। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটেই দেখা গেছে অফসাইডে বাতিল হওয়া গোল, পেনাল্টি এবং দারুণ এক গোলরক্ষকের সেভ।
ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই নরওয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিল। প্যাট্রিক বের্গ বল জালে জড়ালেও সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তোলেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। তবে নরওয়ের দ্রুতগতির ও সরাসরি আক্রমণ ব্রাজিলের রক্ষণকে শুরুতেই চাপে ফেলে দেয়।
এরপর ষষ্ঠ মিনিটে আলেকজান্ডার সোরলোথের চমৎকার প্রচেষ্টায় কর্নার আদায় করে নরওয়ে। কর্নার থেকে আর্লিং হাল্যান্ড গোলের সুযোগ খুঁজলেও শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের রক্ষণ বল বিপদমুক্ত করে।
অষ্টম মিনিটে অফসাইডে বাতিল হওয়া গোলটি নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে। বিশ্লেষকদের মতে, নরওয়ের আক্রমণের গতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিল ব্রাজিল। তবে আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা অনসাইডে থাকতে পারলে ফল ভিন্নও হতে পারত।
দশম মিনিটে প্রথমবারের মতো আক্রমণে ওঠে ব্রাজিল। বাম প্রান্তে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র পর্যাপ্ত জায়গা পেলেও গোললাইনের কাছ থেকে তার ক্রসটি ঠিকমতো না হওয়ায় বল গোললাইন অতিক্রম করে এবং নরওয়ে গোলকিক পায়।
এর কিছুক্ষণ পর মাতেউস কুনিয়াকে বক্সের ভেতরে ফাউল করা হলে প্রথমে খেলা চালিয়ে যেতে বলেন রেফারি। পরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ঘটনাটি পর্যালোচনা করে ব্রাজিলকে পেনাল্টি দেন।
পেনাল্টি নিতে আসেন ব্রুনো গিমারায়েস। তবে ধীরগতির ‘স্টাটার-স্টেপ’ রানআপ নিয়ে নেওয়া তার শটটি নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিয়ল্যান্ড দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন। ফলে ম্যাচের প্রথম বড় সুযোগটি নষ্ট করে ব্রাজিল।
ম্যাচের ১৫ মিনিট শেষে দুই দলই গোলশূন্য সমতায় রয়েছে। তবে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়ে শেষ আটে ওঠার লড়াইকে জমিয়ে তুলেছে ব্রাজিল ও নরওয়ে।