| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার চাইলেন জামায়াত আমির

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ২০, ২০২৬ ইং | ১০:৫৫:৩৭:পূর্বাহ্ন  |  ১৪৬২ বার পঠিত
রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার চাইলেন জামায়াত আমির

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২০ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ দাবি জানান জামায়াত আমির।

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, প্রিয় সোনামণি রামিসা, তোমার কাছে মানবতা লজ্জিত। তুমি নিষ্পাপ ছিলে। তুমি এখনো বৃন্ত থেকে পুরোপুরি ফোটনি। তুমি ছিলে তোমার মা-বাবা ও বোনের চোখজুড়ানো হৃদয়ের আবেগ ও ভালোবাসামাখা ভবিষ্যতের এক অপূরণীয় স্বপ্ন।

তিনি আরও লেখেন, তুমি চলে গেছ তোমার চলে যাওয়াটা হায়েনার লালসার কাছে হার মানেনি। ওই হায়েনাটাই চিরদিন লানতের পাত্র হয়ে থাকবে।

রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করে তিনি বলেন, আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং এই নরপশু হত্যাকারীর শাস্তি অতি দ্রুত দেখতে চাই। আল্লাহ তা'আলা রামিসাকে জান্নাতের পাখি হিসেবে কবুল করুন। তার পিতা-মাতা, বোন এবং আপনজনকে ধৈর্য ধরার তাওফিক দিন। আমিন।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ঘটে আলোড়ন সৃষ্টি করা এ হত্যাকাণ্ড। পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত সোহেল রানা (৩২) পেশায় রিকশা মেকানিক। হত্যার পর তিনি পালিয়ে যান। পরে সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এর আগে ঘটনাস্থল থেকে তার স্ত্রী সম্পাকেও আটক করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহেল-সম্পা দম্পতির বাসাতেই শিশু রামিসাকে হত্যা করা হয়। সোহেল স্থানীয় একটি রিকশা গ্যারেজে কাজ করতেন। প্রতিবেশী হওয়ার কারণে রামিসার পরিবার ও সোহেলের পরিবারের মধ্যে পূর্বপরিচয় ছিল।

নিহত রামিসা মিরপুর পল্লবীর পপুলার মডেল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর দীর্ঘ সময়েও সে ফিরে না আসায় উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তারা প্রতিবেশী সোহেলের বাসার দরজায় টোকা দেন।

ভেতর থেকে দরজা বন্ধ থাকলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে পরিবারের সদস্যরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পল্লবী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে।

পুলিশ জানায়, ঘরে ঢুকেই রক্তের চিহ্ন দেখতে পায় তারা। পরে খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ। মরদেহটি ছিল বিবস্ত্র। একই ঘরের এক কোণায় রঙের খালি প্লাস্টিকের বালতির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় কাটা মাথা।

ঘটনাস্থলের রান্নাঘরে লুকিয়ে ছিলেন সোহেলের স্ত্রী সম্পা। সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়। তবে ঘটনার আগেই পালিয়ে যান মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। বাসার অপর দুটি কক্ষ বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোক, ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪