স্পোর্টস ডেস্ক: প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই নিজেকে নতুন করে চেনালেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলের বিপর্যয়ের মুহূর্তে ব্যাটিংয়ে নেমে খেললেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। তার দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ভর করে লড়াকু পুঁজি গড়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে টাইগারদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ২৮৪ রান।
মিরপুরে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ওপেনার সাইফ হাসান মাত্র ৫ রানে ফিরে যান। তবে আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমকে নিয়ে ইনিংস গুছিয়ে তোলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে ৯১ বলে ৯৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
তামিম ৫৪ রান করে বিদায় নিলেও ইনিংস ধরে রাখেন শান্ত। তবে বড় সংগ্রহের পথে এগোতে থাকা দল আবারও বিপদে পড়ে যায় মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায়। মাত্র ৭ রান করে আউট হন লিটন দাস।
এরপর দ্রুত আরও কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। শান্ত ক্যারিয়ারের দ্বাদশ ফিফটি পূর্ণ করলেও ৬৭ রান করে ইনিংস থেমে যায় তার।
চার উইকেট দ্রুত হারানোর পর ইনিংস পুনর্গঠনের দায়িত্ব নেন তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন। চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে ব্যাট হাতে আত্মবিশ্বাসী মোসাদ্দেক হৃদয়ের সঙ্গে ৭৫ রানের জুটি গড়েন।
মোসাদ্দেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন, যেখানে হৃদয় ছিলেন তুলনামূলক ধীরগতির। হৃদয় ৩১ রান করতে খেলেন ৫১ বল। পরবর্তীতে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তানভীর ইসলাম ব্যাট হাতে বড় অবদান রাখতে পারেননি।
তবে এক প্রান্তে একাই লড়াই চালিয়ে যান মোসাদ্দেক। ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটির দিনে খেলেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। ৭০ বলে ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
শেষদিকে তাসকিন আহমেদ ১৬ বলে ২০ রান করে দলের সংগ্রহ ২৮৪ পর্যন্ত নিয়ে যান। শেষ বলে তিনি আউট হন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন নাথান এলিস। ম্যাট রেনশো ও লিয়াম স্কট নেন ২টি করে উইকেট, আর ব্রাটলেট পান ১টি উইকেট।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম