| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মৎস্য বিভাগের নজরদারির অভাবে চাঁদপুরে বাড়ছে পাঙ্গাশের পোনা বিক্রি

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১৯, ২০২৬ ইং | ১৭:২৮:১৪:অপরাহ্ন  |  ১০৭০ বার পঠিত
মৎস্য বিভাগের নজরদারির অভাবে চাঁদপুরে বাড়ছে পাঙ্গাশের পোনা বিক্রি

চাঁদপুর প্রতিনিধি: চাঁদপুরের নদী উপকূলীয় এলাকায় আড়ৎ ও বাজারগুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে পাঙ্গাশের পোনা। ৩০ সেন্টিমিটারের নিচে পাঙ্গাশ ধরা ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। মৎস্য বিভাগের পর্যাপ্ত নজরদারি ও অভিযান না থাকায় এ প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

বড় আকারের পাঙ্গাশ মাছ যেখানে প্রতি কেজি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হয়, সেখানে ছোট আকারের পাঙ্গাশের পোনা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে।

সরেজমিনে চাঁদপুর শহরের ওয়ারলেস বাজার, পালবাজার, বিপণীবাগ বাজার, মিশন রোড মোড়, বহরিয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় পাঙ্গাশের পোনা বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া লালপুর, আনন্দ বাজার, চাঁদপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, বহরিয়া মৎস্য আড়ৎ ও হরিণা মাছঘাটেও প্রকাশ্যে এসব পোনা বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হরিণা মাছঘাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি আড়তেই অবাধে পাঙ্গাশের পোনা কেনাবেচা হচ্ছে। নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও এ বিষয়ে জেলে, ব্যবসায়ী কিংবা ক্রেতাদের মধ্যে তেমন কোনো সচেতনতা দেখা যায়নি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি।

হরিণা মাছঘাটের আড়তদার ইব্রাহীম মিয়া বলেন, ইলিশ ধরার জালে অনেক সময় ছোট আকারের পাঙ্গাশের পোনা ধরা পড়ে। আগে এ ধরনের মাছ কম পাওয়া গেলেও এখন তুলনামূলক বেশি পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশ ও পাঙ্গাশের পোনা আলাদা দামে বিক্রি হয়।

প্রবীণ মাছ ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম সৈয়াল বলেন, গত বছর এ সময়ে নদীতে প্রচুর ছোট আকারের ইলিশ পাওয়া গিয়েছিল। এবার ইলিশ কম মিললেও জালে পাঙ্গাশের পোনা বেশি ধরা পড়ছে। তবে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এসব পোনা না ধরাই ভালো, কারণ বড় হলে মাছের দাম ও উৎপাদন দুটোই বেশি হয়।

খুচরা মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান জানান, তিনি হরিণা মাছঘাট থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে ৪ কেজি পাঙ্গাশের পোনা কিনেছেন। শহরের বাজারে সেগুলো ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করবেন। তার দাবি, প্রতিদিন কয়েক মণ পাঙ্গাশের পোনা এ ঘাটে কেনাবেচা হয়।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ৩০ সেন্টিমিটারের নিচে পাঙ্গাশ ধরা ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে জনবল ও লজিস্টিক সহায়তার সীমাবদ্ধতার কারণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। এরপরও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪