পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের দখলে থাকা জমি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে আদালত। দীর্ঘ প্রায় চার বছর মামলা চলার পর আদালতের নির্দেশে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে ঢোল পিটিয়ে, লাল পতাকা টানিয়ে ও পুলিশি পাহারায় জমির পজিশন ভুক্তভোগী মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জোরপূর্বক ওই জমিতে একটি আবহাওয়া তথ্য বোর্ড স্থাপন করে। সে সময় জমির প্রকৃত মালিক মো. কালাম বাধা দিতে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা করা হয়। ওই মামলায় কিছুদিন কারাগারেও থাকতে হয়েছিল তাঁকে।
ভুক্তভোগী মো. কালাম গণমাধ্যমকে বলেন, ২০২২ সালে আমার ওপর যে পরিমাণ অন্যায় করা হয়েছিল, তা তখন গণমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছিল। এই জমির ওপর আমার অনেক টাকা ব্যাংক লোন নেওয়া আছে। এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একাধিকবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে জমিটি আমার কাছ থেকে অধিগ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হলেও অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা তা অমান্য করে জেদবশত আমাকে হয়রানি করেছেন। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম এবং আজ আদালতের মাধ্যমে আমার জমির পজিশন ফেরত পেয়েছি।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য পঞ্চগড় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল মতিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি অফিসের কাজে বাইরে থাকায় তাঁর মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।