সিনিয়র রিপোর্টার: প্রবাসীদের নতুন পাসপোর্ট বা পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন দীর্ঘদিন থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে না এমন অভিযোগের খবর মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে এইচ আর পি বি এর পক্ষ থেকে এক রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।
বিচারপতি মোঃ হাবিবুল গনি এবং বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন এর আদালতে আজ শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত আগামী ৬০ দিনের মধ্যে প্রবাসীদের নতুন পাসপোর্ট বা নবায়ন এর পেন্ডিং আবেদন নিষ্পত্তির আদেশ দিয়েছেন আদালত
এবং ৯০ দিনের মধ্যে কম্প্লাইন্স রিপোর্ট দাখিল করতে বলা হয়েছে। প্রবাসীদের নতুন পাসপোর্ট বা নবায়নের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তিতে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং প্রবাসীদের পাস পোর্ট নবায়নের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ। কেন দেয়া হবে না এই মর্মে চার সপ্তাহের রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
শুনানিতে এইচআর পিবির পক্ষে কৌশলী সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বিভিন্ন দেশে বসবাস করে এবং চাকরি করে উপার্জিত অর্থ রেমিটেন্স হিসেবে দেশে প্রেরণ করলে বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয় কিন্তু উক্ত প্রবাসীদের পাসপোর্ট প্রদান এবং নবায়নের আবেদন দিনের পর দিন পেন্ডিং থাকার কারণে তাদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
এমনকি কখনো কখনো তাদের অনেকের চাকরি হারাতে হচ্ছে যার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এইচ আর পি বি এর পক্ষে রিট পিটিশনার হলেন এডভোকেট মোহাম্মদ সারোয়ার আহাদ চৌধুরী, এডভোকেট রিপন বাড়ৈ এবং অ্যাডভোকেট মাহবুবুল ইসলাম। বিবাদীরা হলেন কেবিনেট, প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় সচিব, পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও আইন সচিব, পাসপোর্ট অফিসের ডিজি সহ মোট ১৪ জন।
আদালত এক অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষকে প্রবাসীদের যে সকল নবায়নের আবেদন পেন্ডিং আছে তা ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ দিয়েছেন।
আদালত অপর এক আদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ২১ দিনের মধ্যে এক চিঠি ইস্যু করে দেশের বিভিন্ন হাইকমিশনকে ও এম্বেসি কে প্রবাসীদের দাখিলকৃত নতুন পাসপোর্ট বা নবায়নের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পাসপোর্ট অফিসে প্রেরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে কম্প্লাইন্স রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
রিট পিটিশন এর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তাকে সহায়তা করেন সঞ্জয় মন্ডল। সরকার পক্ষে ছিলেন ডিএজি মোহাম্মদ জিসান হায়দার।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব/এআইএম