| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

দুর্নীতির দুই মামলা থেকে খালাস অর্থমন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ২৭, ২০২৬ ইং | ২২:৩৭:২৮:অপরাহ্ন  |  ১০১৫ বার পঠিত
দুর্নীতির দুই মামলা থেকে খালাস অর্থমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: দুদকের করা পৃথক দুই মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমির খসরুর আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে দুই মামলায় খালাস দেওয়া হয়েছে।

নথি থেকে জানা যায়, রাজধানীর গুলশান, ধানমণ্ডি ও শান্তিনগর এলাকার ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি নিলামে বিক্রির ক্ষেত্রে অনিয়ম, দরপত্রে কারচুপি ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা ক্ষতির অভিযোগে ২০০৭ সালে মোট ১৫টি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে প্রতিটি মামলায় আসামি করা হয়।

অন্য আসামিরা হলেন, এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ুন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী ও মো. শহীদ আলম।

এছাড়া আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নামে দুটি এবং মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ ও আলী হায়দার চৌধুরীকে পৃথক মামলায় আসামি করা হয়।   

এজাহারে বলা হয়েছে, গুলশান, ধানমণ্ডি ও শান্তিনগর এলাকার মোট ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি নিলামে বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। রাজউকের মাধ্যমে সাজানো দরপত্রে কারচুপি ও অনিয়ম করে পছন্দের ব্যক্তিদের কাছে এসব বাড়ি বিক্রি করা হয়। এতে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করে দুদক।

অভিযোগে আরও বলা হয়, তৎকালীন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে সরকারি বাড়িগুলো বিক্রির অনুমোদন দেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের দেওয়া তুলনামূলক বেশি দর বিবেচনায় না নিয়ে কম মূল্যের দরপত্রের মাধ্যমে বাড়িগুলো বিক্রির ব্যবস্থা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়।

এসব ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪