| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পদ্মা ব্যারাজে সুফল পাবে ২৪ জেলার মানুষ: পানিসম্পদ মন্ত্রী

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ ইং | ২২:৫৯:২৯:অপরাহ্ন  |  ৮৬৯ বার পঠিত
পদ্মা ব্যারাজে সুফল পাবে ২৪ জেলার মানুষ: পানিসম্পদ মন্ত্রী

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ প্রকল্পের সুফল সরাসরি ১৯টি জেলার মানুষ এবং আশপাশের উপকারভোগীসহ মোট ২৪ জেলার মানুষ পাবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ১৫ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর-সালদাহ এলাকায় পদ্মা-গড়াই মোহনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। প্রকল্পটি দৃশ্যমান করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। তিনি জাতির সামনে এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং নির্বাচনি ইশতেহারেও পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ১৫ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পটির কারিগরি সহায়তা, সম্ভাব্যতা যাচাইসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। ২০২৬ সালে এসে এর প্রয়োজনীয় কাজ শেষ হয়েছে।

পদ্মা ব্যারাজের সুফল তুলে ধরে তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক রূপান্তরে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষি কার্যক্রমে গতি আসার পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি ও বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে এটি।

তিনি বলেন, নদীর প্রবাহ ও গতিপ্রকৃতি ঠিক না থাকায় বিভিন্ন সময়ে নদীর তীরের বাঁধ ভেঙে বসতবাড়ি, বাজারসহ স্থানীয় জনপদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে নদীতে পানি না থাকায় খালসহ নদীর সঙ্গে সংযুক্ত বিভিন্ন জলপ্রবাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে কৃষি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সুন্দরবনের প্রতিবেশব্যবস্থাও ভারসাম্য হারায়।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারাজ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য একটি গেম চেঞ্জার হতে পারে।

এ সময় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান, দৌলতপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রাগিব রউফ চৌধুরী, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ, সদস্যসচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রিপোর্টার্স২৪/রাফিদ 

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪