| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলছে, ফিরছে সরাসরি বিমান ও বাণিজ্য

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১৯, ২০২৫ ইং | ১৮:২১:২০:অপরাহ্ন  |  ১৬০৩৯২৭ বার পঠিত
ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলছে, ফিরছে সরাসরি বিমান ও বাণিজ্য

আশিস গুপ্ত, নতুন দিল্লি : মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর বৈঠকের পর ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক নতুন গতি লাভ করেছে। দুই দেশের মধ্যে সংলাপ প্রক্রিয়া পুনরায় চালু, সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় শুরু এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রবাহ বৃদ্ধির বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এটি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। ২০২০ সালের গালওয়ান উপত্যকার সংঘাতের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি ছিল, তা কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন স্তরের আলোচনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। 

ভারতের  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উভয় দেশই একে অপরের উদ্বেগের বিষয়ে মনোযোগ দিয়ে “বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে” একসঙ্গে কাজ করবে।

নয়াদিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সহ-সভাপতিত্বে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বিশেষ প্রতিনিধিদের ২৪তম বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। এই বৈঠকে উভয় পক্ষ তিনটি নির্দিষ্ট সীমান্ত পয়েন্টে বাণিজ্য পুনরায় চালু করতে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ও উদ্বেগ মোকাবিলায় বিভিন্ন সংলাপ প্রক্রিয়া ও বিনিময় ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করতে সম্মত হয়েছে।

একই দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর আগে ওয়াং ই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স-এ একটি পোস্টে বলেছেন যে, কাজানে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং-এর সঙ্গে তার বৈঠকের পর থেকে ভারত-চীন সম্পর্ক "একে অপরের স্বার্থ ও সংবেদনশীলতার প্রতি শ্রদ্ধার মাধ্যমে স্থিতিশীল অগ্রগতি" লাভ করেছে। তিনি আরও বলেন, স্থিতিশীল ও গঠনমূলক ভারত-চীন সম্পর্ক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আসন্ন তিয়ানজিন এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং-এর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ওয়াং ই দিল্লিতে আসার পর মোদীর কাছে শি জিনপিং-এর একটি বার্তা এবং এসসিও বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন।

ভারত ও চীনের মধ্যে এই আলোচনাগুলো পারস্পরিক সম্পর্ককে পুনরায় স্বাভাবিক করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সংলাপের মাধ্যমে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে উভয় দেশের অঙ্গীকার এবং বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রগুলো পুনরায় সক্রিয় করার আগ্রহ ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক সংকেত বহন করে।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪