সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, বিএনপির নেতা বেগম খালেদা জিয়া জনগণের জানমাল রক্ষায় সর্বদা আপসহীন ছিলেন। তার নির্দেশনায় গঠিত র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) কখনোই দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হয়নি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রিয়জন হারানোর গভীর শোকের মধ্যেও দেশের মানুষের অভূতপূর্ব ভালোবাসা ও উপস্থিতি তাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি। বরং এই ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তার মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে পুরো বাংলাদেশই আজ তার পরিবার হয়ে উঠেছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা ও দাফন সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি এই শেষ বিদায়কে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছেন এবং জানিয়েছেন, দেশের মানুষ যথাযথ শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সঙ্গে তার মায়ের বিদায় জানাতে পেরেছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি)সকালে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, গতকাল, আমার জীবনের এক গভীর শোকের মুহূর্তে, আমি আমার মায়ের শেষ বিদায় দিতে পেরেছি।
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার জন্ম ব্রিটিশ ভারতের জলপাইগুড়িতে, যা তখন বৃহত্তর দিনাজপুরের অংশ ছিল এবং ভারতবর্ষ ভাগের পর ভারতের অংশে পড়েছিল। তবে বাংলাদেশে যিনি দশ বছরেরও বেশি সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সেই বিএনপি নেত্রীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ভারতের সঙ্গে তার সম্পর্ক পুরোপুরি সহজ বা স্বাভাবিক ছিল - এটা কখনোই বলা যাবে না।
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান মারা গেছেন । (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন।
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছে রাজধানীতে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের চাপে বিভিন্ন সড়কে যানজট দেখা দেয়। উড়ালসড়কেও ভিড় দেখা গেছে মানুষের। এদিকে, হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু দেশের রাজনীতিতেই নয়, ব্যক্তিগত জীবনে রেখেছে গভীর শূন্যতা। সেই শূন্যতার সবচেয়ে নীরব সাক্ষী তার দীর্ঘদিনের পরিচারিকা ও বিশ্বস্ত সঙ্গী ফাতেমা বেগম। বছরের পর বছর নেত্রীর ছায়ার মতো পাশে থাকা ফাতেমা এখন ‘একেবারে একা’ হয়ে গেছেন। শোক আর নিঃসঙ্গতার ভার বয়ে চলছেন তিনি।
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম পাশে জানাজার সময় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন (৫৬)।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন তার বড় সন্তান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মায়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়ার পাশাপাশি, জীবদ্দশায় খালেদা জিয়ার কোনো কথা বা আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পরিকল্পিতভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে ‘হত্যা করা হয়েছে’ বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, এই মৃত্যুর দায় থেকে শেখ হাসিনা কোনোদিনই মুক্তি পাবেন না।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেই নয়, ব্যক্তিগত পরিসরেও তৈরি করেছে গভীর শূন্যতা। সেই শূন্যতার সবচেয়ে নীরব ও বেদনাবিধুর সাক্ষী তার দীর্ঘদিনের পরিচারিকা ও বিশ্বস্ত সঙ্গী ফাতেমা বেগম।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও বার্ষিক আয় মিলিয়ে মোট সম্পদ দেখানো হয়েছে ৪ কোটি ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭১৫ টাকা ৭৩ পয়সা। তবে হলফনামায় একটি প্রাইভেটকার ও ৩০ ভরি সোনার মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। তার বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছে। তাকে বহন করা হয়েছে লাল-সবুজ রঙের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি ফ্রিজার ভ্যানে। সেনাবাহিনী হিউম্যান চেইন তৈরি করে রাষ্ট্রীয় প্রোটকলে মরদেহটি আনা হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটে খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী ফ্রিজার ভ্যানটি দক্ষিণ প্লাজায় প্রবেশ করে। এর আগে বেলা ১১টা ৫ মিনিটে ছেলে তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে যাত্রা শুরু করে মরদেহবাহী ফ্রিজার ভ্যানটি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছে। মরদেহটি বহন করা হচ্ছে লাল-সবুজ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি ফ্রিজার ভ্যানে।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ এখন তার ছেলে তারেক রহমানের বাসায় নেওয়া হয়েছে। এখানেই দলের নেতাকর্মী ও স্বজনরা খালেদা জিয়াকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন। খালেদা জিয়ার কফিনের পাশে বসে কোরআন তেলাওয়াত করছেন ছেলে তারেক রহমান।