| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সরকারি মদের কোম্পানিতে নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ২৫, ২০২৫ ইং | ০২:১০:০১:পূর্বাহ্ন  |  ১৭৪৮৫৬১ বার পঠিত
সরকারি মদের কোম্পানিতে নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানির শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিষয়টি সংঘর্ষে রূপ নিলে অন্তত ১০–১২ জন আহত হন। পরে সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে আছেন শ্রমিক আব্দুল মোতালেব (৫০), রবিউল ইসলাম (৪৮), বহিরাগত সালাউদ্দিন (৩৫), উজ্জ্বল (৪০), সাইফুল ইসলাম মকুল (৫০), দর্শনা পৌর বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট (৫৫), হিরোক (৪৮), রাসেল উদ্দীন টগর (৫০)সহ আরও কয়েকজন।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, সকালে সাবেক সভাপতি তৈয়ব আলী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম প্রিন্স পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে নির্বাচন দাবিতে একটি শ্রমিক সমাবেশ আয়োজন করেন। সমাবেশে বক্তারা নির্বাচন বন্ধ থাকার জন্য সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ সবুজ এবং কেরু অ্যান্ড কোম্পানির এমডি রাব্বিক হাসানকে দায়ী করে নানা স্লোগান দেন।

সময়ের একপর্যায়ে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান আলোচনার উদ্দেশ্যে ফিরোজ আহম্মেদ সবুজকে তাঁর অফিসে ডাকেন। সবুজ তাঁর কয়েকজন সহকর্মীকে নিয়ে সেখানে প্রবেশ করলে সমাবেশ থেকে কয়েকজন বহিরাগত যুবক হঠাৎ এমডির কক্ষে ঢুকে পড়েন। এ সময় চুক্তিভিত্তিক কর্মী মোতালেবের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া বেশ কিছুক্ষণ চলতে থাকে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে ফিরোজ সবুজ তাঁর অনুসারীদের নিয়ে অফিসে ফিরে যান। অন্যদিকে তৈয়ব-প্রিন্স সমর্থক শ্রমিকরা কেরু জেনারেল অফিসের সামনে অবস্থান নিয়ে নির্বাচন আদায়ের দাবিতে স্লোগান অব্যাহত রাখেন।

ঘটনার পর পুরো কেরু ক্যাম্পাসজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, পরিস্থিতি যে কোনো সময় আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।

কেরু চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেন, “ইউনিয়নের নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে উভয় পক্ষকেই ডাকা হয়েছিল। কিন্তু একটি পক্ষ আসার আগেই কয়েকজন শ্রমিক অপ্রত্যাশিত আচরণ শুরু করে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।”

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪