লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির ছাত্রাবাস থেকে মেহেদী হাসান (১৫) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত এলাকাবাসী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর চালায়।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকেলে প্রতিষ্ঠানটির ছাত্রাবাস থেকে মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ইছাপুর ইউনিয়নের রাঘবপুত গ্রামের জিয়াউদ্দিন জিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীকে হত্যার অভিযোগে রাত ৮টার পর থেকে একাডেমির সামনে লোকজন জড়ো হতে থাকে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটক ও অভ্যর্থনা কক্ষে ভাঙচুর চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত ১২টা পর্যন্ত একাডেমির সামনে উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাইকিং করে এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করা হবে।
লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি