গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি)-এর এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে পিএইচডি স্কলারশিপ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি সত্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে।
অভিযোগের মুখে থাকা শিক্ষক হলেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুন, যিনি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের (সাদা দল) সদস্য সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-এর অধীনস্থ ফেলোশিপ ট্রাস্ট তার পিএইচডি স্কলারশিপ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা ছুটি শেষে দেশে ফিরে যোগদান করলেও তিনি পিএইচডি সনদপ্রাপ্তির তারিখ, ডিফেন্স সংক্রান্ত সুপারভাইজারের প্রত্যয়নপত্র এবং ফেলোশিপ ট্রাস্টের ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেননি। এ বিষয়ে তথ্য চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর ও ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি লিখিতভাবে একাধিকবার পত্র দেওয়া হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনের লক্ষ্যে গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ড. মো. কামরুজ্জামানকে এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান। এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইইই বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এ.টি.এম. সাইফুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং অর্থ ও হিসাব দপ্তরের হিসাব পরিচালক।
কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে উপাচার্যের কাছে লিখিত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি